কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রবিবার বিকেলে উখিয়ার ১৬নং শফিউল্লাহ কাটা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনে লার্নিং সেন্টারসহ অন্তত ৬০০ ঘর পুড়ে গেছে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ৮ নম্বর এপিবিএনের অধিনায়ক পুলিশ সুপার শিহাব কায়সার খান অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান উখিয়া, টেকনাফ ও কক্সবাজার থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আগুন লাগে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি বলেন, আগুনে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুন লাগার কারণও তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
তবে আমাদের উখিয়া প্রতিনিধি স্থানীয়দের বরাতে জানিয়েছেন, ওই ক্যাম্পের ইলিয়াস মাঝি এবং আবুল সৈয়দ মাঝির ঘর থেকে রান্না করার সময় গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ দৌজা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের রাতে ক্যাম্পের বিভিন্ন স্কুল-মসজিদ এবং মাদ্রাসায় থাকতে দেওয়া হবে। তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এর আগে গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার বালুখালী ২০ নম্বর ক্যাম্পে জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত করোনা হাসপাতালে আগুন লাগে। এতে কেউ হতাহত না হলেও হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের ১৬টি কেবিন পুড়ে যায়।
তারও আগে গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীতে আগুনে পুড়ে মারা যায় ১৫ রোহিঙ্গা। তখন ১০ হাজারের মতো ঘর পুড়ে গিয়েছিল।