নারায়ণগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে ছয় দিন আগে ট্রলার ডুবে নিখোঁজদের মধ্যে শিশুসহ আরও তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে লাশগুলো ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেন।
মৃতরা হলেন- আবদুল্লাহ (২৩), সামসুদ্দিন (৫০) ও তামিম (৮)। এ নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় মোট ৯জনের লাশ উদ্ধার করা হলো।
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ট্রলারডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৯জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে লাশগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহতের স্বজনরা জানান, গতকাল উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার আগে ভোরে তারা নিখোঁজ চারজনের সন্ধানে ট্রলার নিয়ে নদীতে নামেন। সকাল ৭টার দিকে তামিমের লাশ ভেসে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে খবর আসে আবদুল্লাহর লাশ পাওয়া গেছে। আর সকাল ৯টার দিকে পাওয়া যায় সামসুদ্দিনের লাশ। খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে লাশ উদ্ধার করেন।
গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে এমভি ফারহান-৬ নামে লঞ্চের ধাক্কায় ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ ঘাট এলাকায় একটি ট্রলার ডুবে যায়। এরপর সাঁতার কেটে বেশ কয়েকজন তীরে এলেও ১০ যাত্রী নিখোঁজ ছিলেন।
এ দুর্ঘটনার পর কেরানীগঞ্জের একটি ডকইয়ার্ড থেকে লঞ্চসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের উদ্ধারনৌ-নিরাপত্তা বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপপ্ত) বাবু লাল বৈদ্য।
গত রবিবার আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের মাস্টার কামরুল হাসান (৪০), ইনচার্জ ড্রাইভার জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া (৪০) ও সুকানি মো. জসিম মোল্লাকে (৩০) কারাগারে পাঠায় পুলিশ।