চলতি মাসের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সারা দেশের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রথম ডোজের করোনার টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি জানিয়েছেন, ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী যেকোনো শিক্ষার্থী এই সময়ের মধ্যে টিকাকেন্দ্রে গিয়ে পরিচয়পত্র দেখিয়েই করোনার টিকা নিতে পারবে। গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
গত রবিবার রাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা হবে কিনা সেই বিষয়ে কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতেই গতকালের সংবাদ সম্মেলনে আসেন দীপু মনি। দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা এখন নেই বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে যেহেতু শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে তাই এক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে, সেভাবেই চলবে।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘চলতি মাসেই দেশের সব শিক্ষার্থীকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি। চলতি মাসের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের প্রথম ডোজের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যারা ১২ জানুয়ারির মধ্যে এক ডোজ টিকা নিয়েছে, তারা শ্রেণিকক্ষে পাঠ গ্রহণের সুযোগ পাবে। এছাড়া ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সের শিক্ষার্থীরা টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী আইডি কার্ডের সাহায্যে কেন্দ্রে গিয়ে করোনার টিকা গ্রহণ করতে পারবে। আইডি কার্ড না থাকলে রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখিয়ে টিকা নিতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী ১ কোটি ১৬ লাখ ২৩ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এদের মধ্যে ৭৫ লাখ ৫৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এখন পর্যন্ত করোনার টিকার আওতায় আসেনি। ৪ লাখ ১৯ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পেয়েছে দুই ডোজের টিকা।’