বিসিএলের ফার্স্ট ক্লাস প্রতিযোগিতায় সাউথ জোনকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল সেন্ট্রাল জোন। ওয়ানডে আসরে আবার তারাই ফাইনালে মুখোমুখি হয়। এবার ভাগ্য বদলানোর লক্ষ্য ছিল সাউথের। কিন্তু শিরোপা অধরাই থেকে গেল তাদের। সিলেটে কাল লো-স্কোরিং ফাইনালে সাউথ জোনকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ইন্ডিপেনডেন্স কাপের শিরোপা জিতল সেন্ট্রাল জোন। আগে ব্যাট করে সাউথ মাত্র ১৬৩ রান তুলতে পারে। জবাবে ৪২.৩ ওভারে ৪ উইকেটে ওই স্কোর টপকে যায় সেন্ট্রাল।
সাকিব আল হাসানের না থাকাটা ফাইনালের আগে ভাবাচ্ছিল সেন্ট্রালের অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে। মাঠে অবশ্য তার অভাব টের পাওয়া যায়নি। ১৬৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ৭৬ রানে ৪ উইকেট হারালেও মোসাদ্দেক ক্রিজে থেকে দলকে শিরোপা এনে দিয়েছেন। ব্যাটিং অলরাউন্ডার আল-আমিনের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৮৮ রানের জুটিতে ম্যাচ শেষ করেছেন মোসাদ্দেক। নিজে ৮৫ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন। আল-আমিন ৬৯ বলে ৬ চারে করে ৫৩। এ নিয়ে চার ম্যাচে তৃতীয়বার ম্যাচসেরা হলেন মোসাদ্দেক। মোট ১৪৮ রান ও ৬ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরস্কারটিও তার হাতেই উঠেছে। নিচের দিকে মোসাদ্দেকদের কাজ সহজ করে দেন সেন্ট্রালের দুই ওপেনার মিজানুর রহমান ও সৌম্য সরকার। দুজনে ৬৫ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। মিজান ৫৩ বলে ২ ছক্কা ও ৫ চারে করেন ৩৯, সৌম্য ২৫ বলে ৪ চারে করেন দিনের শুরুতে সাউথ জোনও শুরুটা ভালো করেছিল। পিনাক ঘোষের ৩৫ ও এনামুল হকের ২০ রানে ৫১ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় তারা। জুটিভঙ্গের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পড়ায় আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। সেন্ট্রালের ৫ বোলার ২টি করে উইকেট নেন। কখনো স্পিন আর কখনো পেসের বিপক্ষে সিলেটের উইকেট যেন দুর্বোধ্য হয়ে উঠেছিল সাউথের ব্যাটারদের জন্য। দলীয় সংগ্রহ কম হওয়ায় শেষ পর্যন্ত লঙ্গার ভার্সনে শিরোপা হারানোর প্রতিশোধ নিতে পারেনি সাউথ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সাউথ : ১৬৩/১০ (পিনাক ৩৫, এনামুল ২০, অমিত ২৯, নাহিদুল ৩১; মোসাদ্দেক ২/৪৫, অপু ২/২৮, সৌম্য ২/১৯, হাসান ২/২৯, মৃত্যুঞ্জয় ২/২৬)। সেন্ট্রাল : ১৬৪/৪ (আল-আমিন ৫৩*, মোসাদ্দেক ৩৩*, মিজানুর ৩৯, সৌম্য ২১; নাসুম ৩/৩২, মাহেদী ১/৩২)। ম্যাচ ও টুর্নামেন্টসেরা : মোসাদ্দেক হোসেন।