ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ড্রাগস কন্ট্রোল জেনারেল অব ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) খোলাবাজারে করোনার টিকা কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন বিক্রির অনুমতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। তবে এ বিষয়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
খোলাবাজারে বিক্রির অনুমোদন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, এখনই সেগুলো ওষুধের দোকানে কিনতে পাওয়া যাবে। আপাতত হাসপাতাল বা ক্লিনিক থেকে টিকা কেনা যাবে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার এক প্রতিবদেনে জানিয়েছে এনডিটিভি।
ভারতে ‘নিউ ড্রাগস অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালস রুল-২০১৯’-এর অধীনে কভিড-১৯-এর ওই দুটি টিকা খোলাবাজারে বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ভারতের আইন অনুযায়ী, কোনো নতুন ওষুধ জরুরি ব্যবহারের জন্য সেটির নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য-উপাত্ত ১৫ দিনের মধ্যে ডিসিজিআইকে দিতে হয়। তবে খোলাবাজারে বিক্রির অনুমতি পেতে ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাকে ৬ মাসের মধ্যে নিরাপত্তাবিষয়ক তথ্য-উপাত্ত দিতে হবে।
ভারত বায়োটেক কোভ্যাক্সিন এবং ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট কোভিশিল্ড তৈরি করে। দুটি কোম্পানি তাদের চলমান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তথ্য দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে দিয়েছে।
পিটিআইর বরাত দিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা বলছে, খোলাবাজারে ওই টিকার দাম হতে পারে সর্বোচ্চ ২৭৫ রুপি। তার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে সার্ভিস চার্জ বাবদ আরও ১৫০ রুপি। বর্তমানে ভারতে কোভ্যাক্সিনের প্রতি ডোজ টিকার দাম ১২০০ রুপি এবং কোভিশিল্ডের প্রতি ডোজ টিকার দাম ৭৮০ রুপি। এর মধ্যে সার্ভিস চার্জ বাবদ ১৫০ রুপি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।