টঙ্গী-বাজিতপুর রেলপথে এক বছরে ৬৫ জনের মৃত্যু

ঢাকার টঙ্গী থেকে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর পর্যন্ত ৮৯ কিলোমিটার রেলপথে গত এক বছরে ট্রেনে কাটা পড়ে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ জানুয়ারি পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে জানায় ভৈরব রেলওয়ে থানা।

ভৈরব রেলওয়ে থানা সূত্রে জানা গেছে, অসতর্কভাবে ট্রেনে ওঠা-নামা, ছাদে অনিরাপদ ভ্রমণ, দুই বগির সংযোগস্থলে বসে ভ্রমণ, অসতর্কভাবে রেলপথ পারাপার, প্লাটফরমে অসতর্ক দাঁড়ানো ও চলতি ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ শিশু, ১০ নারী ও ৫৩ পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেক সময় অপরাধীরা খুনের পর রেললাইনে লাশ ফেলে চলে যায়। যাতে করে ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এমনটি বোঝা যায়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করে ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি ফেরদাউস আহমেদ বিশ্বাস জানান, নিহতদের বেশির ভাগেরই পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। অজ্ঞাত হিসেবে তাদের দাফন করা হয়েছে।

রেল পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও রেলওয়ে পুলিশ সার্বক্ষণিক যাত্রী নিরাপত্তার কাজে ব্যস্ত থাকলেও কিছু কিছু যাত্রী পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের ফাঁকি দিয়ে ট্রেনের ছাদে, ইঞ্জিনে ও দরজার হাতলে ঝুলে প্রায়ই অনিরাপদ ভ্রমণ করেন। ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ নিষিদ্ধ হলেও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এক শ্রেণির যাত্রী ট্রেনে অনিরাপদে ভ্রমণ করেন।

এছাড়াও রেললাইনের পাশে দাঁড়িয়ে মোবাইল ফোনে সেলফি, ইয়ারফোন ব্যবহার ও অন্যমনস্ক হয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলতে গিয়েও ট্রেনে কাটা পড়ে অনেক পথচারীর প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।