অনুসন্ধান কমিটির প্রস্তাবের অপেক্ষা

তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইনটি হয়। আর এ আইনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় সার্চ কমিটি (অনুসন্ধান কমিটি)। আইন অনুযায়ী কমিটির চার সদস্যের অবস্থান পদ অনুযায়ী নির্ধারণ করা থাকলেও প্রধান হিসেবে আপিল বিভাগের কোন বিচারপতি মনোনীত হন সেটা নিয়ে কৌতূহল ছিল। আগ্রহ ছিল হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এবং রাষ্ট্রপতির পছন্দ অনুযায়ী যে দুজন আসবেন তাদের নাম নিয়েও। সব কৌতূহল শেষ হয়েছে কালকের ঘোষণায়।

গতকাল শনিবার ইসি গঠনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতির মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক হলেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন ও কথাসাহিত্যিক আনোয়ারা সৈয়দ হক। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী এবং সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহরাব হোসাইন।

বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সার্চ কমিটি এবং এই কমিটির মাধ্যমে যে নির্বাচন কমিশন হবে সে ব্যাপারে তাদের কোনো কিছু যায় আসে না বলেই মন্তব্য এসেছে। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের শরিক ১৪ দল, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি সার্চ কমিটিকে স্বাগত জানিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় হবে সার্চ কমিটির প্রথম বৈঠক।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সার্চ কমিটি আইন অনুযায়ীই হয়েছে। এখন দেখার বিষয় হলো, এই সার্চ কমিটি কাদের নাম দেয় এবং নতুন নির্বাচন কমিশন কতটা নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্যদের নিয়ে করতে পারে।

সার্চ কমিটির প্রধান আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান গতকাল গণমাধ্যমে প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, রাষ্ট্রপতি যে দায়িত্ব দিয়েছেন সংবিধান ও আইন অনুযায়ী সে দায়িত্ব পালন করব। আন্তরিকতা ও ন্যায্যতার সঙ্গে দায়িত্বপালনে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন সার্চ কমিটির প্রধান। তিনি বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে কথা বলব। পারলে কালকের (রবিবারের) মধ্যে বসে কমিটির সবাই কথা বলব। আইন অনুযায়ী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের কাছ থেকে নাম আহ্বান করা হবে কিনাএ প্রশ্নে ওবায়দুল হাসান বলেন, প্রথমে কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করতে হবে। এটি একক কোনো সিদ্ধান্তের বিষয় নয়। এটি নির্ভর করবে কমিটির সব সদস্যের ওপর। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘কমিটি নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। বর্তমান সার্চ কমিটি নির্বাচন কমিশন গঠনে কাদের নাম প্রস্তাব করবে তা দেখার অপেক্ষায় সমগ্র জাতি। আমরা চাই, গঠিত সার্চ কমিটি নিরপেক্ষ ও সব মহলে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করবেন, যারা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে পারবেন।’

সার্চ কমিটির প্রজ্ঞাপনের পর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নতুন ইসি গঠনে অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটিকে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে কাজ করতে হবে বলে মতপ্রকাশ করেছে। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কমিটির সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধাভরে আমরা আবেদন করছি যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে তারা যেন এমন ব্যক্তির নাম বিবেচনায় নেন, যারা তাদের ব্যক্তি ও পেশাজীবনে সততা, দলনিরপেক্ষতা, ন্যায়পরায়ণতা, বস্তুনিষ্ঠতা, সৎ সাহস ও গ্রহণযোগ্যতার জন্য সুপরিচিত। একই সঙ্গে মনোনীত ব্যক্তিদের যেন কোনোভাবেই নৈতিক স্খলন, দুর্নীতি ও ঋণখেলাপির মতো অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকে, তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।’

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও সুশাসনের জন্য নাগরিকের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সার্চ কমিটি তো আইনের আলোকেই হয়েছে। এটা নিয়ে কিছু বলার নেই। তবে দেখছি এই সার্চ কমিটি কাদের নাম প্রস্তাব করে।’ রাষ্ট্রপতির সুপারিশের দুই সদস্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিয়েই বেশিরভাগ কাজ করেন। ফলে এটাও আলোচনার বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো সার্চ কমিটির অনুসন্ধান থেকে কাদের নাম আসে।’

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান : সার্চ কমিটির প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে আপিল বিভাগে কর্মরত। তিনি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে জন্ম নেন। ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসএস (সম্মান) ও এমএসএস (অর্থনীতি) এবং পরে আইনে এলএলবি করেন। এরপর ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। তিনি জেলা আদালত, হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেন। ২০০৯ সালে তিনি হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০১১ সাল থেকে বিচারপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালের ২৫ মার্চ তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক হিসেবে যোগ দেন। সেই বছরের ১৩ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিনি ওই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান : সার্চ কমিটির সদস্য বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ২০২০ সালের ৩০ মে থেকে হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত। এর দুই বছর আগে থেকে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি ১৯৮৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে তিনি আইন কমিশনে যোগ দেন। বিচারব্যবস্থা পুনর্গঠনে ১৯৯১ সাল থেকে পূর্ব তিমুরে এবং ২০০৬-১১ সাল পর্যন্ত সুদানে প্রেষণে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জেলা জজ হিসেবে পদোন্নতি পাওয়ার পর ২০১২ সালে তিনি প্রধান বিচারপতির বিশেষ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। ২০১৪-১৫ সাল পর্যন্ত তিনি সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কর্মরত থাকার সময় ২০১৮ সালের ৩০ মে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী : বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। পদাধিকার বলে তিনি সার্চ কমিটিতে আছেন। তিনি ২০১৮ সালের ১৫ জুলাই মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে অর্থ বিভাগের সচিব ছিলেন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের অডিট নিরীক্ষা ও হিসাবের একজন কর্মকর্তা হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেন। পরবর্তীকালে তিনি কন্ট্রোলার জেনারেল অব অ্যাকাউন্টস, কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স ও অর্থ বিভাগের উপসচিব, যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা করার পর যুক্তরাজ্য থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন। এর আগেও রাষ্ট্রপতির ঘোষিত নির্বাচন কমিশন অনুসন্ধান কমিটিতে এই পদের তৎকালীন কর্মকর্তা নিয়োগ পেয়েছিলেন।

মো. সোহরাব হোসাইন : ২০২০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সোহরাব হোসাইন। এ দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখান থেকে অবসরগ্রহণের পর তাকে সরকার পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয়। সোহরাব হোসাইন ১৯৮৬ সালে সহকারী কমিশনার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে পেশাজীবন শুরু করেন। তিনি ইউনেস্কোয় বাংলাদেশ প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। নোয়াখালীতে জন্ম নেওয়া সোহরাব হোসাইন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন।

মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন : ওয়ান ইলেভেনের পর সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছিল, সেখানে একজন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন। সাবেক এই আইন সচিবের সেই কমিশনের আয়োজনেই ২০০৮ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১২ সালের পাঁচ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি অবসরে ছিলেন। তবে ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় তিনি সিলেট-১ আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন বলে সেই সময় বাংলাদেশের গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মনোনয়ন পাননি। বিচারক হিসেবে পেশাজীবন শুরু করে দীর্ঘদিন জেলা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ছহুল হোসাইন।

আনোয়ারা সৈয়দ হক : কথাসাহিত্যিক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিতি রয়েছে আনোয়ারা সৈয়দ হকের। তিনি গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও শিশুসাহিত্য রচনা করেছেন। সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি একুশ পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন। বাংলাদেশের খ্যাতনামা আরেকজন সাহিত্যিক প্রয়াত সৈয়দ শামসুল হকের স্ত্রী তিনি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৬৫ সালে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে মেডিকেল কোরে লেফটেন্যান্ট পদে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বিমানবাহিনীর চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে লন্ডন চলে যান। সেখানে মনোবিজ্ঞানে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজে সহকারী প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি জাতীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পরিচালক, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

সার্চ কমিটির প্রজ্ঞাপন : মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল।  প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’ এর ধারা ৩ মোতাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণের নিয়োগদানের জন্য আইনে বর্ণিত যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করার লক্ষ্যে অনুসন্ধান (সার্চ) কমিটি গঠন করা হলো। অনুসন্ধান কমিটি ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’ মোতাবেক দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পন্ন করবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অনুসন্ধান কমিটির কার্য সম্পাদনে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসি গঠনে নতুন আইন অনুযায়ী, সার্চ কমিটি গঠনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে যোগ্য ব্যক্তিদের নাম প্রস্তাব করতে হবে কমিটিকে। এ কমিটির কাজ সম্পর্কে আইনে বলা হয়েছে, এই কমিটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে। আইনে বেঁধে দেওয়া যোগ্যতা, অযোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সুনাম বিবেচনায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে নাম সুপারিশ করবে কমিটি।

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী, এর আগেই নতুন ইসি গঠন করা হবে। সার্চ কমিটির দেওয়া তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি সিইসি ও অন্য চার নির্বাচন কমিশনারের নাম চূড়ান্ত করবেন। তবে এবার নতুন আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটি গঠন করা হলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গত ১৭ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’ অনুমোদন দেওয়া হয়। গত ২৭ জানুয়ারি বিলটি জাতীয় সংসদে পাসের পর ২৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আইনটিতে সম্মতি দেন। ৩০ জানুয়ারি ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২’-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।