অপপ্রচার না হলে দেশ আরও এগিয়ে যেত : তথ্যমন্ত্রী

বিদেশিদের কাছে দেশবিরোধী অপপ্রচার চালানো না হলে দেশ আরও এগিয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের একজন সাবেক দুইবারের প্রধানমন্ত্রী নিজের নামে ওয়াশিংটন টাইমস পত্রিকায় নিবন্ধ লিখেছেন যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে যে জিএসপি সুবিধা দিয়ে আসছিল, তা বন্ধ করে দেয়। শুধু তাই নয়, দেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক দল যারা দুইবার ক্ষমতায় ছিল, সেই দলের মহাসচিব নিজের দলের প্যাডে নিজে স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্রে চিঠি লিখেছেন বাংলাদেশকে সাহায্য দেওয়ার বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করতে এবং সেটিকে একটি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য।’

গতকাল শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই আইকন ভবনে বঙ্গবন্ধু কর্নার ও ডাইরেক্টরস লাউঞ্জ উদ্বোধন এবং কভিড সচেতনতা ভিডিও সংগীত প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে রাজনীতি থাকবে, অবশ্যই সরকারের সমালোচনা হবে, কিন্তু দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, রপ্তানিকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য অপপ্রচার কখনো কাম্য নয়, সেটি দেশদ্রোহিতার শামিল।’

নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির সার্চ কমিটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘ইসি গঠন আইন অনুযায়ী সার্চ কমিটিতে সাংবিধানিক পদধারীদের এবং একজন নারীসহ সুশীল সমাজেরও দুজনকে রাখা হয়েছে। তারা যে অত্যন্ত গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং নিরপেক্ষ মানুষ হিসেবে অতীতে ভূমিকা রেখেছেন, তা সবাই স্বীকার করবেন। আমি মনে করি সুন্দর একটি সার্চ কমিটি হয়েছে, তাদের মাধ্যমে গঠিত নির্বাচন কমিশনের দ্বারা বাংলাদেশে একটি সুন্দর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেমনটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে হয়েছে।’

সভাশেষে মন্ত্রী এফবিসিসিআই ভবনের তৃতীয় তলায় বঙ্গবন্ধু কর্নার ও ডাইরেক্টরস লাউঞ্জ উদ্বোধন ও শিল্পী হায়দার হোসেন পরিচালিত কভিড সচেতনতা মিউজিক ভিডিও প্রকাশ করেন।