অপেক্ষা বাড়ল রাসেলের

প্রথম ম্যাচে মোহামেডানের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে প্রিমিয়ার লিগের অভিযান শুরু করেছিল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র। ২০১৩ সালের ট্রেবলজয়ীদের জয়হীন থাকতে হলো দ্বিতীয় ম্যাচেও। সাইফুল বারী টিটুর শিষ্যরা ১-১ ড্র করেছেন মারুফুল হকের চট্টগ্রাম আবাহনীর সঙ্গে। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেয়েছে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। মুন্সীগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে রহমতগঞ্জকে তারা হারিয়েছে ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে। ৬ পয়েন্ট নিয়ে শেখ জামাল ধানম-ি ক্লাবের সঙ্গে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে বসল সাইফ। দুই ম্যাচ থেকে ৪ পয়েন্ট আবাহনী লিমিটেডের ও ৩ পয়েন্ট বসুন্ধরা কিংসের। আর দুই ড্রয়ে শেখ রাসেলের সংগ্রহ ২।

টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে রাসেলকে ২০ মিনিটে লিড এনে দেন তরুণ উইঙ্গার মোহাম্মদ জুয়েল। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে একজন মার্কারকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শট নেন জুয়েল। চট্টগ্রাম আবাহনীর কিপার সাইফুল ইসলামের গ্লাভস ছুঁয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে তা আশ্রয় নেয় জালে। যদিও এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি শেখ রাসেল। ৩৩ মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনীকে সমতায় ফেরান পিটার থ্যাঙ্কগড। সতীর্থের ক্রস বক্সের ভেতরে বুক দিয়ে নামিয়ে ডান পায়ের প্লেসিংয়ে রাসেল কিপার আশরাফুল ইসলাম রানাকে পরাস্ত করেন এই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড। গত লিগে দুই পর্বেই সাইফ স্পোটিকে রুখে দিয়েছিল রহমতগঞ্জ। জমজমাট লড়াইয়ের ইঙ্গিত ছিল গতকালও। তবে সময় যত গড়িয়েছে সাইফ গুছিয়ে উঠেছে। সুস্থ হয়ে কাল মাঠে নামেন সাইফের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া। ১৬ মিনিটে প্রথম সুযোগটিই কাজে লাগায় সাইফ। নাসিমুল ইসলামের থ্রু ধরে মারাজ হোসেন ক্রস ফেলেন বক্সে। দুরূহ কোণ থেকে দারুণ হেডে লক্ষ্যভেদ করেন ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। ৪০ মিনিটে উজবেকিস্তানের মিডফিল্ডার আসরোর গভুরভের পাস ধরে বক্সে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এমেকা ওগবাহ ডান পায়ের বুলেট শটে গোল করেন। ৬৭ মিনিটে রিয়াদুল ইসলাম রাফির লক্ষ্যভেদে জয় নিশ্চিত হয় সাইফের। ৭১ মিনিটে সানডের গোল কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে রহমতগঞ্জের।