যৌন হয়রানির প্রতিবাদের জের

মাগুরায় মাসহ শিক্ষিকাকে পিটিয়ে জখম বখাটের

যৌন হয়রানির প্রতিবাদ করায় মাগুরার মহম্মদপুরে এক স্কুল শিক্ষিকা ও তার মাকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে খোকন রায় নামে এক বখাটে যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার পাচুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত মা-মেয়েকে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তাদের পেটানোর অভিযোগ ওঠা খোকন রায় মহম্মদপুরের ভিটেপাড়া গ্রামের লক্ষ্মীপদ রায়ের ছেলে।

হাসপাতালে ভর্তি ওই স্কুল শিক্ষিকার মা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে স্থানীয় একটি মন্দিরে গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষিকা। দীর্ঘদিন ধরে খোকন রায় স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। সামাজিকভাবে সম্মানহানির ভয়ে তারা বিষয়টি এত দিন গোপন রেখেছিলেন। একপর্যায়ে গতকাল খোকন রায় তাদের বাড়ির সামনে এসে মেয়েকে একইভাবে উত্ত্যক্ত করে। এ সময় তিনি ও তার মেয়ে প্রতিবাদ করলে বাঁশ দিয়ে খোকন রায় তাদের পিটিয়ে আহত করে। তখন তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে খোকন দৌড়ে পালিয়ে যায়। প্রথমে তারা বাড়িতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। বিকেলে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত স্কুল শিক্ষিকার চাচা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বখাটে যুবক খোকন দীর্ঘদিন ধরে আমার ভাতিজিকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। আজ (গতকাল শনিবার) বাড়ি এসে মারধর করেছে। আমরা এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দেব।’

তবে খোকন রায় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কাউকে মারধর করিনি; বরং মা-মেয়ে মিলে আমাকে মেরেছে। পরে আমাকে ফাঁসানোর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেলে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’