ঢাকা জেলার দোহার উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত শামীম পত্তনদার (১৬) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
শামীম দোহার উপজেলার আন্তা গ্রামের মো. ইয়ার আলী ছেলে। গত ১০দিন আগে নুরুল্লাহপুর বার্ষিক ওরস শরিফে বাঁশ নাচানোকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটি জেরে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানান যায়, ১৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নুরুল্লাহপুর বার্ষিক ওরস শরিফে বাঁশ নাচানোকে কেন্দ্র করে কার্তিকপুর এলাকার মো. আলীর (২০) সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় শামীমের। পরের দিন শামীম ওরসের মেলা থেকে সন্ধ্যার পর বাড়িতে যাওয়ার সময় মেলার গেটের সামনে প্রতিপক্ষ আলী ও রাতুলের নেতৃত্বে ১০/১২ জনের একটি কিশোর গ্যাং ছুরি দিয়ে একাধিকবার আঘাত করে পালিয়ে যান।
আরও জানা গেছে, গুরুতর আহত অবস্থায় শামীমকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ১০দিন পর শনিবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোস্তফা কামাল জানান, এ ঘটনায় দোহার থানায় ছয়জনের নামে একটি মামলা করা হয়েছে। শনিবার ওই ছেলে মারা গিয়েছে বলে শুনেছি। যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তারা সবাই পলাতক আছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।