ইভ্যালিকান্ড

তাহসান মিথিলা ও শবনমের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ

ইভ্যালিকান্ডে অভিনেতা তাহসান খান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়ার সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। সাক্ষ্য-প্রমাণের অভিযোগে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি আবেদন জানিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ। গতকাল বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাজিব হাসান এ তথ্য জানান।

এসআই রাজিব জানান, ইভ্যালির হয়ে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এক গ্রাহকের করা মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে তাহসান, মিথিলা ও ফারিয়াসহ পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। তাই তাদের অব্যাহতির আবেদন জানিয়ে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। তাছাড়া ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছর ২১ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেন সাদ স্যাম রহমান নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডি থানাকে মামলার অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেয়। এরপর ৪ ডিসেম্বর ধানমন্ডি থানা মামলার অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে নেয়।

মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছে ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল, তার স্ত্রী শামীমা নাসরিন, আকাশ, আরিফ, তাহের ও মো. আবু তাইশ কায়েস। সাদ স্যাম রহমান তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়া ইভ্যালির বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের বিভিন্ন প্রমোশনাল কথায় আস্থা রেখে বিনিয়োগ করেন তিনি। তাদের কারণে তিনি প্রতারিত হয়েছেন। ইভ্যালিতে অভিনেতা তাহসান খান শুভেচ্ছাদূত হিসেবে ছিলেন। আর মিথিলা ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ‘ফেস অব ইভ্যালি লাইফস্টাইল’ হিসেবে। প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন শবনম ফারিয়া।