অবকাশকালে বিচারিক আদালতের রায়ে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন ও এর সঙ্গে সম্পর্কিত মামলা নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টে ১১টি দ্বৈত বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এছাড়া ২০ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ছয়টি বেঞ্চ গঠন করেছেন প্রধান বিচারপতি।
গতকাল সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মুত্যুদণ্ডাদেশ কনফারমেশনের রেফারেন্স এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য মোকদ্দমার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে হাইকোর্টের ১১টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন করা হলো।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীর, বিচারপতি এসএম এমদাদুল হক ও বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেন, বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেন, বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম, বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহ ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান, বিচারপতি মো. ইকবাল কবির ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লা, বিচারপতি এএসএম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামান, বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলাম এবং বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর ডিভিশন এসব বেঞ্চে দায়িত্ব পালন করবে।
অবকাশকালীন ৬ বেঞ্চ গঠন : অবকাশকালীন সময়ে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ পরিচালনার জন্য ছয়টি বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে দ্বৈত বেঞ্চগুলো হলো বিচারপতি কেএম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াত, বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমান ও বিচারপতি মহিউদ্দিন শামীম, বিচারপতি মাহমুদুল হক ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের বেঞ্চ। এছাড়া বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী, বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের একক বেঞ্চে বিচারকাজ পরিচালিত হবে।