অ্যান্টিগা টেস্ট জিততে হলে শেষদিনে বিস্ময়কর কিছু করতে হতো ইংলিশ বোলারদের। জয়ের লক্ষ্যে দিনের শুরুতে দ্রুত রান সংগ্রহ শুরু সফরকারীদের। বোলাররাও কম চেষ্টা করেননি উত্তেজনাহীন এই টেস্টে উইকেটের দেখা পেতে।
বিশেষ করে জ্যাক লিচ। বেন স্টোকস ওপেনিং জুটি ভাঙার পর এই ইংলিশ স্পিনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন। দলীয় ৫৯ রানে স্টোকসের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রাথওয়েট (৩৩)।
এরপর স্কোরবোর্ডে আর মাত্র ৮ রান যোগ হতেই এক ঝটকায় ক্যারিবীয়দের তিন উইকেট তুলে নেন লিচ। ওপেনার জন ক্যাম্পবেল (২২), শামারাহ ব্রুকস (৫) ও জার্মেইন ব্ল্যাকউডকে (২) ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন তিনি।
কিন্তু ইংলিশদের স্বপ্নে বাধা হয়ে দাঁড়ান এনক্রুমাহ বোনার (৩৮) ও জেসন হোল্ডার (৩৭)। দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৮০ রানের জুটিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ড্র করেছে উইন্ডিজ। ২৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে ১৪৭ রান করে স্বাগতিকেরা। এর আগে উইন্ডিজ প্রথম ইনিংসে করে ৩৭৫ রান। সেবার সেঞ্চুরি করার পথে হোল্ডারের সঙ্গে ৭৯ রানের জুটিও গড়েন বোনার। ম্যাচ সেরাও হয়েছেন তিনি।
দেশের বাইরে ক্ষাণিকের জন্য জয়ের আশা জাগিয়েও অ্যান্টিগা টেস্ট ড্র করে হতাশ নন জো রুট। কঠিন বছরে এই ড্র’কে ‘বড় পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছেন ইংলিশ অধিনায়ক। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে শীতকালীন অ্যাশেজে ৪-০ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হওয়ার পর তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে উইন্ডিজ সফরে গেছে ইংল্যান্ড। গত ১৫ টেস্টের মধ্যে তাদের জয় মাত্র একটিতে।
১ উইকেটে ২১৭ রান নিয়ে অ্যান্টিগা টেস্টের পঞ্চম দিন শুরু করে ইংল্যান্ড। এরপর বড় লক্ষ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যাট চালিয়ে খেলতে থাকে তারা। ৬ উইকেটে ৩৪৯ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করার আগে সেঞ্চুরি তুলে নেন রুট। আরেক সেঞ্চুরিয়ান ওপেনার জ্যাক ক্রলির সঙ্গে ব্যক্তিগত ৮৪ রান নিয়ে দিন শুরু করেন তিনি।
দিনের শুরুতে ওপেনার ক্রলিকে ((১২১) বোল্ড করেন হোল্ডার। রুটকে (১০৯) বোল্ড করেন আলঝারি জোসেফ। ইংল্যান্ডকে দ্রুত রান এনে দেওয়ার ক্ষেত্রে অবদান রাখেন ড্যান লরেন্স (৩৭) ও ক্রিস ওকস (১৮)। জনি বেয়ারস্টোর সেঞ্চুরিতে সফরকারীরা প্রথম ইনিংসে করে ৩১১ রান।