বাগেরহাটে কলেজের অধ্যক্ষকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে আইনজীবী গ্রেপ্তার

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ ও তার কর্মচারীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কটূক্তি ও বিষোদ্‌গার করার অভিযোগে গোলাম কিবরিয়া তারিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার রাতে মোরেলগঞ্জ পৌরসভার নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ওই ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

গোলাম কিবরিয়া মোরেলগঞ্জ পৌরসভার মেইনরোড এলাকার আব্দুল খালেক তালুকদারের ছেলে। তিনি পেশায় আইনজীবী।

 এর আগে মঙ্গলবার রাতে সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নীতিশ বিশ্বাস বাদী হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় গোলাম কিবরিয়া তারিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা করেন।

বুধবার মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয়েছে জেলা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে।

মামলার এজাহারের বরাতে বাগেরহাট জেলা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের পরিদর্শক তদন্ত কর্মকর্তা  এস এম আশরাফুল আলম দুপুরে এই প্রতিবেদককে বলেন, ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি গোলাম কিবরিয়া তারিক নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নীতিশ বিশ্বাস ও তার অধীনস্থ কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ের নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।

অধ্যক্ষ নীতিশের অনিয়মের কারণে ঐতিহ্যবাহী কলেজটি তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত হচ্ছে বলে দাবি করে একাধিক লেখা পোস্ট করেন।

গত দুই মাসে গোলাম কিবরিয়া তারিক তার আইডিতে অধ্যক্ষ ও তার কর্মচারীদের বিচার চেয়ে একাধিক বার লেখা পোস্ট করেছেন।

কলেজের অধ্যক্ষ ও তার কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যেসব তথ্য তুলে ধারা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এতে তাদের মানহানি হয়েছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে এই নিয়ে জনরোষের সৃষ্টি হয়েছে বলে অধ্যক্ষ দাবি করেন। অধ্যক্ষ নীতিশ বিশ্বাস থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার পর গোলাম কিবরিয়া তারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলাটির তদন্তভার জেলা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলকে দেওয়া হয়েছে। মামলাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।

মামলা বাদী সরকারি সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক নীতিশ বিশ্বাসের সঙ্গে কথা বলতে তার মুঠোফোনের নম্বরে ফোন করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।