স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়িতে হাত-পা বাঁধা লাশ

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকারযুক্ত একটি জিপ গাড়ির পেছনের বক্স থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় হযরত আলী (৩৫) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বনপাড়া বাইপাস চত্বর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

হযরত আলী রংপুর জেলার বাসিন্দা ও ঢাকার আশুলিয়ার এক জুটমিলের কর্মচারী ছিলেন। এ ঘটনায় গাড়িচালক মিজানুর রহমানকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ। তিনি মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমতলী গ্রামের মৃত গোলাম হায়দারের ছেলে।

বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রাশেদুল ইসলাম জানান, সকালে বনপাড়া বাইপাস এলাকায় তল্লাশি চৌকি বসানো হয়। একপর্যায়ে সন্দেহ হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকারযুক্ত ঢাকা মেট্রো ঘ-১৪-০৫৮৭ জিপ গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। গাড়ির পেছনের বক্সে লাশটি পাওয়া যায়। মিজান ভোরে লাশটি আশুলিয়ার পাট গোডাউন থেকে জিপে তুলে নাটোরের লালপুরে শ্বশুরবাড়ির এলাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন।

আটক মিজান বলেন, ‘হযরত আলী আমার গোডাউনের কর্মচারী ছিলেন। দুর্ব্যবহারের কারণে গত সোমবার আমি তাকে চড়-থাপ্পড় মেরে বের করে দিই। কিছুক্ষণ পর হযরত গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।’ তবে লাশের হাত-পা বাঁধা কেন সে বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি।

বড়াইগ্রাম থানার ওসি আবু সিদ্দিক জানান, বক্সে উপুড় করে রাখা লাশের দুই হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা এবং তার ওপর ইটের বস্তা ছিল। নির্জন এলাকায় লাশটি ফেলে দেওয়ার জন্যই মিজান গাড়ি নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কাশিমপুর থানার একটি টিম এসেছে। তারা আটক মিজান, হযরতের লাশ নেওয়াসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।