গ্রামীণফোনের ২৫ বছর পূর্তি

ডিজিটালাইজেশন ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত

নিজেদের ডিজিটাল টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার পাশাপাশি কানেক্টিভিটির বাইরে অন্যান্য ক্ষেত্রে অবদান রাখতে চায় দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। নিজেদের কার্যক্রমের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন লক্ষ্যের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশে নিজেদের কার্যক্রম এবং এশিয়ায় টেলিনরের প্রথম কার্যক্রমের রজতজয়ন্তী উদযাপন করেছে গ্রামীণফোন। বাংলাদেশে ২৫ বছরের যাত্রাপথে ডিজিটাল বৈষম্য কমিয়ে আনার পাশাপাশি ডিজিটাল কানেক্টিভিটি পার্টনার হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে ১৯৯৭ সাল থেকে দেশের মানুষের সবচেয়ে পছন্দের টেলিকম ব্র্যান্ড হওয়ার ক্ষেত্রে গ্রামীণ জনপদকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন গ্রামীণফোনের শীর্ষ কর্তারা।

অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, সিএমও সাজ্জাদ হাসিব, সিটিও রাদে কোভাসেচিভ,  সিসিএও (ভারপ্রাপ্ত) হোসেন সাদাত উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস খায়রুল বাশার। 

অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, উন্নত কানেক্টিভিটির মাধ্যমে সমাজের ক্ষমতায়নে গ্রামীণফোনের প্রতিজ্ঞার জায়গা থেকেই বিস্তৃত কাভারেজ নিশ্চিত করা ও সবার জন্য কানেক্টিভিটির সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশের কানেক্টভিটি পার্টনার হিসেবে গ্রামীণফোন দেশের জন্য এবং দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার ভিডিও বার্তার মাধ্যমে গ্রামীণফোনকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণফোনের ২৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে ২৫ বছরের নতুন একটি লোগো উন্মোচন করা হয়।