প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা প্রশাসক হন কীভাবে

বর্তমান সরকারের নির্ভরতা প্রসঙ্গে বলতে গেলে কেবল যে পুলিশ তা নয়, সরকারের নির্ভরতা জেলা প্রশাসকদের ওপরও। ‘প্রশাসক’ এই নামটাই তো বলে দিচ্ছে তাদের গুরুত্বের কথা। ইংরেজিতে নামটি ডিসি; ইংরেজ আমলে ডিসি’রা ছিল ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর। তাদের দায়িত্ব ছিল খাজনা ও ট্যাক্স সংগ্রহের তদারকি করা। পাকিস্তান আমলে জমিদারি প্রথা উঠে যায়, খাজনা সংগ্রহও রাজস্ব আয়ের প্রধান অংশ থাকেনি; ট্যাক্সের জন্য অন্য সব দপ্তর তৈরি হয়েছে, তাই ডিসিরা আর ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর থাকেননি, ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার হয়ে গেছেন। কিন্তু বাংলাদেশে তাদের বাঙালিকরণ ঘটেছে। জেলা কমিশনার হয়েছেন জেল প্রশাসক। অনুবাদ যে যথার্থ হয়নি সেটা বলাই যাবে, কেবল যে শব্দার্থের দিক থেকে তাই নয়, ভাবার্থের দিক থেকেও। ভাবার্থের দিক থেকেই বরঞ্চ অধিক। প্রশাসন পর্যন্ত চলতে পারে, অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের বাংলা হিসেবে; কিন্তু ‘প্রশাসক’ একেবারেই অগ্রাহ্য। ডিসিরা মোটেই প্রশাসক নন, তারা হচ্ছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। এমনকি ব্রিটিশ আমলেও, রাষ্ট্র যখন চলত আমলাদের শাসনে, তখনো ডিসি ছিলেন একজন পাবলিক সার্ভেন্ট; আর এখন তো সাংবিধানিকভাবেই রাষ্ট্রের মালিক হচ্ছে জনগণ; রাষ্ট্রের সব কর্মচারীই এখন জনগণের সেবক (সার্ভেন্ট অর্থে)। আমলাদের নিয়োগ দেয় যে সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান তার নাম ‘পাবলিক সার্ভিস কমিশন’ই, অন্যকিছু নয়। আর আমাদের সংবিধানে তো (অনুচ্ছেদ ২১) প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সম্পর্কে পরিষ্কার নির্দেশই রয়েছে যে, তারা “সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা” করাকে কর্তব্য জ্ঞান করবেন। প্রজাতন্ত্রের ‘কর্মচারী’রা তা হলে ‘প্রশাসক’ হন কীভাবে? কিন্তু যতই অসাংবিধানিক হোক, কিংবা প্রত্যক্ষরূপ সাংঘর্ষিক হোক সংবিধানের সঙ্গে তাতে বাস্তবতার কোনো হেরফের ঘটবে না; ওই অফিসাররা নিজেদের প্রশাসক হিসেবেই দেখতে অভ্যস্ত থাকবেন, এখন যেমনটা আছেন। সরকারকে তারা অনেক কাজেই সাহায্য করে থাকেন; সাহায্য করেন জাতীয় নির্বাচনের বেলাতেও; আর নির্বাচন যদি ‘ভোটারবিহীন’ বা ‘মধ্যরাতে’র কর্ম হয় তাহলে তো তাদের একটা বিশেষ রকমের কর্তব্য থাকেই, থাকবেই। ওদিকে জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ যে রাষ্ট্রের এই কর্মচারীরা তাদের যথাযোগ্য সম্মান দিতে যথেষ্ট কার্পণ্য করে থাকেন। এমনকি পিয়নরাও নাকি জনপ্রতিনিধিদের মর্যাদা দানে অপারগ হয়।

ডিসিদেরও সম্মেলন হয়েছে। তাদের কাছ থেকে সরকারি প্রত্যাশাগুলোর কথা বিভিন্ন অধিবেশনে তুলে ধরা হয়েছে। যেমন, সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে তারা যেন জনগণের সেবক হিসেবেই কাজ করেন, কর্তা হিসেবে নয়। মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার বক্তৃতায় তাদের পরিষ্কারভাবেই বলেছেন কথাটা : “মনে রাখবেন, জনগণের টাকায় আপনাদের বেতন হয়।” মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়রা তাদের দায়িত্বগুলোও মনে করিয়ে দিয়েছেন। যেমন, জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করা; খাদ্য নিরাপত্তা স্থিতিশীল রাখা; দূষণ ও দখল রোধের ব্যাপারে নজর দেওয়া; সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ করা; পশুখাদ্যে ভেজাল রোধে সতর্কতা অবলম্বন; দুর্নীতি রোধে সচেতনতা তৈরি করা (বলা হয়েছে, দুর্নীতির সুযোগ কোথায় কোথায় রয়েছে ডিসিরাই তো ভালো জানেন)। গুজব এবং অপপ্রচার ঠেকানোর ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশও রয়েছে। এবং বলা হয়েছে সবকিছু ঢাকায় পাঠাবেন না, নিজেরাও সিদ্ধান্ত নেবেন। অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো যেন বাতিল করা হয় এই রকমের পরামর্শও দেওয়া হয়েছে । এসব নির্দেশ ও পরামর্শের বিপরীতে ডিসিরাও তাদের প্রত্যাশার কথাগুলো বেশ গুছিয়েই জানিয়েছেন। তাদের একটি প্রত্যাশা হচ্ছে তারা যাতে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে যেতে পারেন তার ব্যবস্থা করা। (অনুক্ত বক্তব্যটি সম্ভবত ছিল এই রকমের যে অন্যান্য বাহিনীর কর্মকর্তারা যেখানে সুযোগ পাচ্ছেন, সেখানে তারা কেন পাবেন না, তারা অযোগ্য কোন দিক দিয়ে?) আরেকটি প্রত্যাশা হচ্ছে উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকির ও মূল্যায়নের দায়িত্ব দেওয়ার এবং গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য এককালীন অর্থ বরাদ্দকরণের। [আজকের পত্রিকা, ২০-০১-২২] তাৎক্ষণিকভাবে এই দুটি দাবি মেনে নেওয়া হয়নি, এবং মনে হচ্ছিল হয়তো স্থগিতই থাকবে। অতিরিক্ত ‘দায়িত্ব’ তারা পাবেন না। কিন্তু এই প্রবন্ধটি লিখতে লিখতেই দেখি খবর এসে গেছে [ডেইলি স্টার, ১০-০২-২২] যে প্রথম দাবিটা মেনে নেওয়া হয়েছে। তার অর্থ এখন থেকে ডিসিরাই উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকি ও মূল্যায়নের কাজটি করবেন। উল্লেখ্য, উন্নয়ন প্রকল্পের বিশেষ সৌন্দর্য ও গুণ হচ্ছে এই যে, এরা আকারে বৃহৎ হতে পছন্দ করে এবং এদের বাস্তবায়নের সময়সীমা ধাপে ধাপে বৃদ্ধি পায় এবং সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে লাফিয়ে ব্যয় বরাদ্দও বেড়ে যায়। তবে ডিসিদের এই নতুন কর্তব্যপ্রাপ্তিতে উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রকৌশলী ও পেশাজীবীরা মোটেই উৎফুল্ল হননি; তারা অবিলম্বে এই নির্দেশনার প্রত্যাহার চেয়েছেন, এবং হুমকি দিয়েছেন যে অন্যথায় তারা কর্মবিরতি পালন, এমনকি তারচেয়ে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণেও বাধ্য হবেন। তাদের যুক্তি হলো উন্নয়নের ব্যাপারে যে কারিগরি ও প্রকৌশলী জ্ঞান আবশ্যক ডিসিরা তা কোথায় পাবেন? ক্ষমতায়ন এবং তার বিরুদ্ধে ‘বঞ্চিত’দের বিরোধ যে কোনো সুসংবাদ নয় তা কি আর বলতে!

আমাদের এই আলোচনায় নির্বাচনের প্রসঙ্গটা এসে গেল। তা আসবেই তো। সামনে সাধারণ নির্বাচন আছে। সেটি আগের দুটির মতোই হবে নাকি তার আরও এক ধাপ ‘উন্নতি’ ঘটবে সেটা কেবল যে কৌতূহলের ব্যাপার তা তো নয়, আমাদের ভালো-মন্দের সঙ্গেও অতিশয় ঘনিষ্ঠ রূপে জড়িত। এ বিষয়ে ভবিষ্যৎ-গণনা অকার্যকর হতে বাধ্য, কেননা সমস্ত তথ্য আমাদের জানা নেই, এবং তথ্যরা যে স্থবির তাও নয়, তারা বদলায়, আর ক্ষমতার বিন্যাসের বেলাতে দ্বন্দ্বের তো বিরাম বলতে কিছু নেই, সেটির কখন কোন রূপ দাঁড়াবে তা ভেতর ও বাইরের নানা ধরনের ঘটনাবলির ও টানাপড়েনের ওপর নির্ভর করে। তবে ভালো কিছু আশা করাটা বোধ করি সংগত  হবে না।

ইতিমধ্যে উপজেলা নির্বাচন হয়ে গেছে। এ নির্বাচন উৎসবমুখর হওয়ার কথা। আগের দিনে তাই হতো, মারামারি কাটাকাটির খবর ছিল খুবই বিরল। বিশেষ করে এই জন্য যে, এতে কেন্দ্রস্থিত সরকারের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হয়। প্রত্যাশা থাকে তারাই নির্বাচিত হবেন যারা জনসম্পৃক্ত, এবং অবশ্যই স্থানীয় মানুষজনের কাছে সুপরিচিত। কিন্তু এবারের স্থানীয় নির্বাচন সেভাবে হয়নি। নির্বাচন কমিশনের সচিব যেদিন প্রফুল্ল চিত্তে বলেছেন (ডিসেম্বরের ২৭ তারিখে) যে নির্বাচন আনন্দমুখর হয়েছে, ঠিক সেদিনই নির্বাচনে কেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের গুলি চালানোতে নিহত হয়েছেন তিনজন। পত্রিকাগুলোতে দু’টি খবর পাশাপাশি ছাপা হয়েছে, যেন ব্যঙ্গচিত্র। ব্যঙ্গচিত্র অবশ্য সংবাদপত্র থেকে এখন পালিয়ে বেঁচেছে, বড় কারণ হয়তো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধাওয়া খাওয়া, তবে মান্যজনদের উক্তি মাঝে মাঝে ব্যঙ্গ কৌতুকের সৃষ্টি করে বৈকি। যৎসামান্য ক্ষতিপূরণ। উপজেলা নির্বাচন ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সপ্তমে গিয়ে পৌঁছতে পৌঁছতে নিহত হয়েছেন ১৪০ জন। বন্দুক নিয়ে প্রকাশ্যে দিনদুপুরে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে এমন একাধিক ছবি কাগজে ছাপা হয়েছে।

আগেকার দিনে স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় লোকেরা অংশ নিলেও নির্বাচন দলীয়ভাবে হতো না, এখন বিস্তর ‘উন্নতি’ ঘটেছে, দলীয় প্রতীক হাতেই প্রার্থীরা লড়ছেন। তবে এবার যেহেতু বিএনপি নির্বাচনে নেই, তাই নৌকারই জয়জয়কার হওয়ার কথা। কোথাও কোথাও তেমনটা ঘটেছেও, পঞ্চম ধাপ পর্যন্ত পৌঁছাতে পৌঁছাতে নৌকার ১,৫০০ প্রার্থী ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হয়ে গেছেন। তবে সপ্তম ধাপে এসে হিসাবে গরমিল ঘটেছে, দেখা গেছে যে নৌকার তুলনায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ভালো করছেন। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিতদের শতকরা ৬০ জনই হচ্ছেন স্বতন্ত্র। তদ্বিপরীতে আওয়ামী প্রার্থীরা ধারাবাহিকভাবেই খারাপ করেছেন। [ডেইলি স্টার, ০৯.০২.২২]। স্বতন্ত্ররা অধিকাংশই অবশ্য আওয়ামী লীগেরই, দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুণ্ন মনে স্বতন্ত্র হয়েছেন, এবং বঞ্চনার দুঃখে উত্তেজিত হয়ে মনোনয়নপ্রাপ্তদের কুপোকাত করতে নেমেছেন। কোথাও কোথাও সরকারদলীয় প্রার্থীর জামানত পর্যন্ত বাজেয়াপ্ত হয়ে গেছে। রাজবাড়ীর এক কেন্দ্রে ভোট পড়েছে মোট ৯,৮৭৯টি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়ামের সদস্য ও স্থানীয় এমপি সাহেবের মনোনীত প্রার্থী ভোট পেয়েছেন মাত্র ৫৬টি। [ইত্তেফাক, ০৭-০২-২২] ধমক দেওয়া হয়েছিল যারা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন দল থেকে তারা চিরজীবনের জন্য বহিষ্কৃত হবেন। কিন্তু বিদ্রোহীরা পরোয়া করেননি। তাদের কাছে আদর্শবাদ বড় নয়, মুনাফাই বড়। মুনাফার রাক্ষসী ক্ষুধা ইতিমধ্যে সবকিছুকে গ্রাস করে ফেলেছে, নির্বাচনের লড়াইকে ছাড় দেবে কেন, খামোখা? তাছাড়া বিদ্রোহীরা ভালোভাবেই জানেন যে জাতীয় নির্বাচনে দল তার নিজের প্রয়োজনেই তাদের পুনরায় বুকে টেনে নেবে। অবশ্য মনোনয়ন ঠিক মতো হয়নি, বিদ্রোহীদের দিক থেকে এমন অভিযোগ রয়েছে। টাকা-পয়সার লেনদেনেরও গুঞ্জন শোনা গেছে। এবং খবরের কাগজেই এসেছে, “বিতর্কিতদের হাতে নৌকা। দলের ভেতর তোলপাড়। তৃণমূলের সুপারিশ ছাড়াই মনোনয়ন।” [ভোরের কাগজ, ০৯-০১-২২] আবার, ‘উপজেলায় নৌকা পেলেন জামায়াতি নেতার ছেলে’, এমন খবরও এসেছে বৈকি। [প্রথম আলো, ০৯-০২-২২] যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করেছেন হয়তো, কিন্তু আবার শঙ্কাতেও যে ছিলেন না তা নয়। এই দ্বৈত অনুভূতির রাসায়নিক মিশ্রণের প্রকাশ ঘটেছে দলীয় কর্মীদের প্রতি প্রকাশিত নানান ধরনের নির্দেশে এবং বিরোধীদের উদ্দেশে নিক্ষিপ্ত ধমকা-ধমকিতে। সেগুলো বেশ কৌতূহলোদ্দীপক। ধরা যাক একদিনেরই তিনটি ঘটনা। ময়মনসিংহে একজন নেতা বলছেন, “ভোটকেন্দ্রে যেতে হলে নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য যাবেন।” জামালপুরে জেলা আওয়ামী লীগের নেতা নির্দেশ দিচ্ছেন ভোটকেন্দ্র দখলের। সাভারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির গলাটা একটু চড়া। তিনি বলছেন, “বিদ্রোহীদের পায়ের হাড্ডি কব্জি ভেঙে দিতে।” বিদ্রোহী প্রার্থীদের উদ্দেশে তার বক্তব্য : সরকারি সংস্থাগুলো “আপনাদের হাঁটতে দেবে না, ভোট চাইতেও দেবে না। ভোট দিতেও দেবে না। কষ্ট করে কোনো লাভ নাই।” [প্রথম আলো, ২২-১২-২১] শরীয়তপুরে থেকে খবর এসেছে, “সাংসদের চাপে চেয়ারম্যান প্রার্থী এলাকাছাড়া।” [আজকের পত্রিকা, ২২-১২-২১] গাজীপুরে নৌকা প্রার্থীর সরল উক্তি : “স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ২৭ গ্রামে ঢুকতে দেওয়া হবে না।” [দেশ রূপান্তর, ২২-১১-২১] অনুরূপ উক্তি কুষ্টিয়াতে ইউনিয়ন পর্যায়ের এক আওয়ামী লীগ নেতারও; “নৌকার বিপক্ষে যাবেন না, গেলে কেউ আপনাকে রক্ষা করতে পারবে না” [ডেইলি স্টার, ২৩-১২-২১], চান্দিনা উপজেলায় নৌকা-প্রার্থীর অভয়বার্তা : “১০টা মার্ডার লাগলেও করবেন।” যশোর সদর উপজেলায় প্রার্থীর নির্দেশ : “নৌকার সবাইকে ওপেন মারতে হবে।” [ইত্তেফাক, ০১-০১-২২] আবার অন্য খবরও ছিটেফোঁটা আছে, সহিংসতারই। যেমন, গাজীপুরে “ঘুষি মেরে আওয়ামী লীগ নেতার দাঁত নাড়াল ছাত্রলীগের নেতা”। [ইত্তেফাক, ২২-১২-২১] শৈলকূপায় ‘আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা।” [প্রথম আলো, ০১-০১-২২]

লেখক ইমেরিটাস অধ্যাপক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়