পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ চান না, ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তার ছেলে আবদুল্লাহ সরফরাজ ক্রিকেটার হোক।
৩৪ বছর বয়সী পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ছেলের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত। সরফরাজ চান না, একজন ক্রিকেটার তার ক্যারিয়ারে যেভাবে মানসিক চাপ ও পীড়নের ভেতর দিয়ে যায় আবদুল্লাহও তার মধ্য দিয়ে যাক।
২০০৭ সালের নভেম্বরে জয়পুরে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয় সফররাজের। কিন্তু ২০১৪ সালের আগ পর্যন্ত দলে জায়গা পাকাপোক্ত করতে পারেননি তিনি। ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন দুই দেখতে হয়েছে এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটারকে।
তা সত্ত্বেও সরফরাতের নেতৃত্বে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতে পাকিস্তান। কিন্তু সমালোচকদের তরবারি সবসময় তার গর্দান লক্ষ্য করে ছিল। ২০১৯ সালের অক্টোবরে সমালোচনার মুখে অধিনায়কত্ব ছাড়েন এই ডানহাতি ব্যাটার।
অবশ্য তার নেতৃত্বে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টিতে দুই বছর ধরে শীর্ষে ছিল। কিন্তু গত ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর থেকে দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন সরফরাজ। সদ্য সমাপ্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতেও সুযোগ পাননি তিনি।
ক্যারিয়ারে প্রচুর চাপ ও সমালোচনার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে সরফরাজকে। আর তা এখনো চলছে। যার জন্য তিনি চান না, একই চাপ ও সমালোচনার মুখোমুখি হোক তার সন্তান।
এক স্থানীয় চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সরফরাজ বলেন, ‘আবদুল্লাহ ক্রিকেট খেলার প্রতি খুব অনুরাগী। কিন্তু, আমি চাই না সে ক্রিকেটার হোক। আসলে ক্রিকেটার হয়ে, আমি অনেককিছু ভুগেছি। আমি চাই না আবদুল্লাহও তার মুখোমুখি হোক।’