টিআইবির ব্যাখ্যা

মুখ্য সচিবের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ও ধারণাভিত্তিক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) অর্থায়নে অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি বিএইচপির নাম জড়িয়ে মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিবাদ জানিয়েছে সংস্থাটি। গতকাল রবিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবি বলেছে, মুখ্য সচিবের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং ভুল তথ্য ও ধারণাভিত্তিক।

গত শনিবার এফবিসিসিআই আয়োজিত এক কর্মশালায় আহমদ কায়কাউস কভিড টিকা পেতে ঘুষের যে অভিযোগ টিআইবি তুলেছিল, তা উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

সেই সঙ্গে তিনি বলেছিলেন, টিআইবিকে অর্থায়ন করছে অস্ট্রেলিয়ান ফার্ম বিএইচপি। প্রতিষ্ঠানটি পরিবেশের ক্ষতি করার জন্য বারবার জরিমানার সম্মুখীন হয়েছে।

টিআইবি বলছে, মুখ্য সচিব তার বক্তব্যে টিআইবিকে উদ্ধৃত করে কভিড-১৯ টিকা কেনায় গড়ে ৬৯ টাকা ঘুষ দেওয়ার যে বিষয় অবতারণা করেছেন, সেটি পুরোপুরি বিভ্রান্তিকর। কেননা ১২ এপ্রিল প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে ৬৯ টাকা ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি এসেছে টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রহীতাদের বুথফেরত জরিপের ফলাফলে, যা কোনোভাবেই টিকা কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত নয়।

টিআইবি কখনো বিএইচপি থেকে অর্থ নেয়নি দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএইচপির সঙ্গে টিআইবির কখনো কোনোভাবেই পরিচিতি বা যোগাযোগও হয়নি। টিআইবিকে মূলত অর্থায়ন করে আসছে ব্রিটিশ ফরেইন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও), সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন এজেন্সি (সিডা) এবং সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কোঅপারেশন (এসডিসি)।

টিআইবির অর্থায়ন ও উল্লিখিত গবেষণা প্রতিবেদন বিষয়ে যেকোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে তথ্য বিনিময় ও অধিপরামর্শ কার্যক্রমে আগ্রহী বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।