মিরপুরে প্রথম এশিয়ান ফিউশন ক্যুজিন রেস্টুরেন্ট

আধুনিক সুবিধা ও সুসজ্জিত পরিবেশের সমন্বয়ে রাজধানীর মিরপুরে যাত্রা শুরু করেছে রেস্টুরেন্ট 'সয়া', যেখানে রয়েছে আভিজাত্যের মিশেল ও বৈচিত্র্যময় খাবারের সম্ভার। নজরকাড়া মনোরম পরিবেশ, বৈচিত্র্যময় খাবারের মেনু এই রেস্টুরেন্টকে সবার চেয়ে নিঃসন্দেহে আলাদা করবে।

গেল সপ্তাহে রাজধানীর মিরপুর ৬ এ নতুন এ রেস্টুরেন্টটির উদ্বোধন হয়। এখানে ইস্ট এশিয়ান ফিউশন থেকে শুরু করে, বাঙালিয়ানা, ফাস্ট ফুডসহ সব রকমের খাবারই পাওয়া যায়। খাবারের দামও খুবই সাশ্রয়ী। রমজান মাস উপলক্ষে এটি খোলা থাকবে ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত। ঈদের পর থেকে প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এটি চালু থাকবে।

রেস্টুরেন্টটি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পাঁচ বন্ধু। তারা হলেন- মাহতাব হক, তানভীর আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান আরিয়ান ও মুঈদ আলম। স্কুলজীবন থেকেই তাদের বন্ধুত্বের শুরু, সেই থেকে হাতে হাতে মিলিয়ে একইসাথে পার করছেন নানা সময়।

মাহতাব হক বলেন, আমরা পাঁচ বন্ধু ছাত্রাবস্থাতেই ফুড বিজনেস শুরু করি। তখন আমরা সবাই মিলে কফি শপ খুলি। এখন মিরপুরে অনেক কফি শপ রয়েছে এবং অনেক রেস্তোরাঁ রয়েছে যেগুলো কফির পাশাপাশি অন্যান্য খাবারও সার্ভ করে। তখন আমরা চিন্তা করলাম একদমই আলাদা ও ভিন্ন কিছু একটা করি, সেই চিন্তা থেকেই আমাদের 'সয়া' শুরু করা। ইস্ট এশিয়ান ফিউশন নিয়ে মিরপুরে কোন রেস্টুরেন্ট নেই, তাই আমরা এটা দিয়েই যাত্রা শুরু করতে চেয়েছি। বাঙালিরা পছন্দ করবে এমন ফিউশন আমাদের ক্যুজিনে যোগ করেছি।  সব রেস্টুরেন্ট থেকে আলাদা রাখতেই আমরা ইস্ট এশিয়ান ফিউশন নিয়ে কাজ করি। আলহামদুলিল্লাহ, এখন পর্যন্ত খুবই ভালো রিভিউ পাচ্ছি।

তানভীর আলম বলেন, দেশে খাবারের কিন্তু অভাব নেই। চাইনিজ, জাপানিজ, কোরিয়ান-সব রকমের খাবারই আছে। অনেকসময় আমরা এশিয়ান ফিউশন খাবারের কথা চিন্তা করলেই মাথায় গুলশান-বনানীর নাম আসে। যেখানে মিরপুরে এত মানুষের বসবাস সেখানে একটু ভিন্নধর্মী ও ভালো মানের খাবার পাওয়া যায় তাহলে সবার জন্যই বেশ আরামদায়ক হয়। ঘরের কাছেই যদি সবাই নিজেদের পছন্দ মত ফিউশন পায় তাহলে অনেকেই হয়তো রাস্তায় জ্যাম ঠেলে অনেক দূরে যেতে চাইবেন না। এই বিষয়গুলো চিন্তা করেই আমরা মিরপুরে রেস্টুরেন্টটি ওপেন করি।

মুঈদ আলম বলেন, গুলশান-বনানীর মত জায়গায় যারা খাবার খেয়ে অভ্যস্ত তারা ঠিক তেমন মানের খাবারই পাবেন আমাদের এখানে। এটা নিয়ে আমাদের সামনে আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। সামনে এটাকে আরও অনেক বড় পরিসরে করতে চাই এবং বিভিন্ন জয়গায় এর শাখা খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

যারা ভোজন বিলাসী তাদের জন্য বেশ পছন্দের একটি নাম হবে 'সয়া'। রেস্টুরেন্টটির ইন্টেরিয়র, সাজসজ্জা খুবই চমৎকার, মুগ্ধ হওয়ার মত। খাবারের মান নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।