দৌলতদিয়া ঘাটে ধীরে ধীরে বাড়ছে যানবাহনের চাপ

ঈদ উদ্‌যাপন শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহন কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ও যানবাহনের ভিড় বাড়তে থাকে।

সরেজমিনে বেলা ১১টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট ও এর আশপাশে দেখা যায়, কর্মস্থলে ফেরা রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলাগামী দূরপাল্লার বাস, মাহিন্দ্র, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশাযোগে ঘাটে এসে ফেরি ও লঞ্চে নদী পার হচ্ছে। এবং ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুল পর্যন্ত এক কিলোমিটার যাত্রীবাহী বাস সিরিয়াল রয়েছে। এ সময় পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাকও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে যাত্রী পারাপার দুর্ভোগ ও ভোগান্তি কমাতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ২২টি লঞ্চ চলাচল করছে।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দৌলতদিয়া লঞ্চঘাটের ম্যানেজার মো. নুরুল আলম মিলন।

রাজবাড়ী থেকে আসা ঢাকাগামী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ইমরান আহমেদ বলেন, আমি একটি বেসরকারি আইটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। আমার বসকে বলে অনেক কষ্টে ছুটির ব্যবস্থা করেছিলাম। শনিবার থেকেই অফিস খোলা তাই আজই চলে যাচ্ছি। কাল আবার সড়কে অনেক চাপ হতে পারে। এ জন্য আগেই ভোগান্তি ছাড়া চলে যাচ্ছি।

পাংশা থেকে ঢাকাগামী রোমান তালুকদার নামে একজন বলেন, ছুটি কম তাই চলে যাচ্ছি, স্ত্রী ও বাচ্চা পরে আসবে ঢাকায় তারা পরে আসবে। কাল। রাস্তায় ভিড় হতে পারে, চেয়েছিলাম আগামীকাল ভোরে ঢাকায় যাব কিন্তু বাসার সবাই বলল আজই চলে যাও তাই আজকেই যাচ্ছি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শিহাব উদ্দিন জানান, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে যানবাহন পারাপারে ২১টি ফেরির মধ্যে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৯টি ফেরি চলাচল করছে। যানবাহনের চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাকি ২টি ফেরি বহরে যুক্ত হবে। এবার ঈদের আগে অধিকাংশ যাত্রীই ভোগান্তি ছাড়া নদী পার হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আশা করছি ঈদের পরেও ভোগান্তি ছাড়াই মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে পারবেন। সার্বক্ষণিক ঘাটে নজরদারি করা হচ্ছে।