বছরের প্রথম পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ২৮ মিনিট ৪২ সেকেন্ড থেকে শুরু হয়ে ১০টা ৫৪ মিনিট ২৪ সেকেন্ড পর্যন্ত এ চন্দ্রগ্রহণ চলবে। তবে এ চন্দ্রগ্রহণ বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না।
জানা গেছে, এ চন্দ্রগ্রহণ দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ, দক্ষিণ আমেরিকা, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক এবং অ্যান্টার্কটিকাসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে দেখা যাবে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী গ্রহণটির কেন্দ্রীয় গতিপথ হচ্ছে ব্রাজিলের স্টক সীমাউন্ট থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর, ব্রাজিলের অ্যাব্রোসহোল মেরিন ন্যাশনাল পার্ক থেকে দক্ষিণ দিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর, ব্রাজিলের মাতো গ্রোসো দ্য সুল রাজের বেলা আলভোরাদা শহর, বলিভিয়ার ডিভিসাদেরো শহর, উত্তর চিলির বন্দর শহর আরিকো থেকে পূর্ব দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসগারে, পেরুর আরকুইপা থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগর, চিলির ইস্টার আইল্যান্ড হতে উত্তর-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী, পূর্ণিমার দিনে সূর্য ও চাঁদের মাঝে যখন পৃথিবী চলে আসে, সূর্য-পৃথিবী-চাঁদ যখন এক সরলরেখায় হয়ে যায়, তখনই চন্দ্রগ্রহণ হয়। এক্ষেত্রে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ হয়। অন্যদিকে পৃথিবী যখন ঘুরতে ঘুরতে সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে চলে এলেও পুরোপুরি এক সরলরেখায় থাকে না, তখন হয় আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এক্ষেত্রে পুরো চাঁদটা নয়, চাঁদের একটা অংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢাকা পড়ে যায়।