পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় স্কুলছাত্রী আহত

পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় পৌর শহরের সরকারী কলেজ রোডের বিএডিসি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এক স্কুলছাত্রীসহ ছাত্রদলের কয়েকজন আহত হয়। 

ঘটনার পরই জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলআমিন হাওলাদারের বাসা থেকে তিনটি মোটরসাইকেল আটক করেছে পুলিশ।

আহত স্কুলছাত্রী বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে পটুয়াখালী গার্লস স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।  

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের একটি মিছিল পটুয়াখালী সরকারি কলেজের সামনে পৌঁছালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া দেয়। পরে বিএডিসির এলাকায় গিয়ে উভয়পক্ষে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইট- পাটকেল নিক্ষেপ হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলআমিন হাওলাদার বলেন, খালেদা জিয়াকে নিয়ে কটূক্তি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ভাইয়ের নামে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে বাঁধঘাট এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে সদরের দিকে যাচ্ছিলাম। সরকারি কলেজ এলাকায় গেলে আমাদের মিছিলে হামলা চালায় ছাত্রলীগ। পরে বিএডিসি এলাকায় গিয়ে তাদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।  পুলিশ এসে আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। এ ঘটনায় আমদের কিছু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। পরে বাসা থেকে আমার ও আমার ছোট ভাইয়ের তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে যায় পুলিশ। 

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আশিষ কুমার হৃদয় বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে নিয়ে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক যে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন এর জন্য প্রকাশ্যে রাস্তায় নেমে ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিহত করবে। 

তিনি আরো বলেন, ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ছাত্রলীগ রাজপথে থেকে সর্বচ্চ প্রতিহত করা এবং হামলা অব্যাহত থাকবে। 

এ বিষয়ে জানতে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মনিরুজ্জামন জানানের ফোনে কল দিয়ে পাওয়া যায়নি। 

এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের জানান , বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে।