তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের মালিকানাধীন দুটি কোম্পানি সব নিয়মনীতি মেনেই স্বর্ণ ব্যবসা করছে বলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ব্যাখ্যার জবাবে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সোনা আমদানির লাইসেন্স নিয়ে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা করে আসছিলেন দেশের তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। অনুমতি না নিয়ে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা করার অভিযোগ পেয়ে সাকিবের কোম্পানিকে কারণ দর্শানোর নোটিস দিয়েছিল বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। গত রবিবার ওই নোটিসের দেওয়া জবাবে এসব কথা বলা হয়েছে।
বিএসইসিতে কোম্পানি দুটির আলাদা প্যাডে এ জবাবে স্বাক্ষর করেছেন ব্যবস্থাপনা অংশীদার রাশেক রহমান। বুরাক কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জের অফিস তেজগাঁওয়ের একটি ঠিকানায়। আর দুটি শোরুমের মধ্যে একটি ঢাকার বনানীতে এবং অন্যটি রংপুরের মুন্সিপাড়ায়। রিলায়েবল কমোডিটি এক্সচেঞ্জের শোরুমও একই ঠিকানায়। দুটি পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে গত ১৬ মে রিলায়েবল কমোডিটি এক্সচেঞ্জ এবং বুরাক কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে বিএসইসি জানায়, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ অনুযায়ী ভবিষ্যতে পণ্য বিক্রির জন্য চুক্তি বা ‘কমোডিটি ফিউচারস কন্ট্র্যাক্ট’-এর মাধ্যমে পণ্য বিক্রি কমিশনে নিবন্ধিত কমোডিটি এক্সচেঞ্জে সম্পন্ন হতে পারে এবং এ ধরনের চুক্তি ‘সিকিউরিটি’ হিসেবে গণ্য হবে। স্টক এক্সচেঞ্জ নিবন্ধিত কোনো সদস্য ছাড়া কোনো ব্যক্তি কোনো সিকিউরিটির ব্রোকার ও ডিলার হতে পারেন না। কমিশনের অনুমোদন ছাড়া এবং কোনো স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্য ছাড়া সাকিবের কোম্পানি কীভাবে ‘কমোডিটি ফিউচার’ ধরনের ব্যবসা করছে, সে বিষয়ে সাকিব আল হাসানের কোম্পানির অবস্থান ব্যাখ্যা করে ৭ দিনের মধ্যে জবাব চায় বিএসইসি। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসিতে পাঠানো কোম্পানি দুটির জবাবে বলা হয়, তারা বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সমস্ত প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে জুয়েলারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) বিদ্যমান নীতিমালা অনুসরণ করে বর্তমান বাজার দরে ব্যবসা করছেন।