এসইজেডে ৬৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে সিঙ্গার

দেশের শীর্ষস্থানীয় হোম অ্যাপ্লায়েন্স এবং ইলেকট্রনিক্স পণ্য উৎপাদন ও বিপণন প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড নতুন ম্যানুফ্যাকচারিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ৬৮০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। কোম্পানির সিংহভাগ শেয়ার হোল্ডার তুরস্কের সেরা হোম অ্যাপ্লায়েন্স উৎপাদনকারী কোম্পানি আর্চেলিকের সহায়তায় নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনে ৩৫ একর জমিতে এই  কমপ্লেক্স নির্মাণ হবে।

সম্প্রতি ঢাকায় সিঙ্গার এবং ইকোনমিক জোনের মধ্যে এ বিষয়ে চুক্তি সই হয়। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সিঙ্গারের এমডি ও সিইও এমএইচএম ফাইরোজ এবং বাংলাদেশ স্পেশাল ইকোনমিক জোনের এমডি  তারো কাওয়াচি। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ম্যানুফ্যাকচারিং কমপ্লেক্সের অত্যাধুনিক উৎপাদন সুবিধা সিঙ্গারের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে আর শক্তিশালী হতে সহায়তার পাশাপাশি সার্বিক প্রবৃদ্ধিতেও অবদান রাখবে। এ বিষয়ে সিঙ্গার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএইচএম ফাইরোজ বলেন, আর্চেলিক আমাদের সহযোগী হওয়ার পরপরই আমরা বাংলাদেশে সিঙ্গারের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি।  আমরা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের ভোক্তাদের প্রয়োজন মাথায় রেখে বিশেষ ফিচারসহ পণ্য উৎপাদন শুরু করেছি।

তিনি আরও বলেন, আর্চেলিকের গবেষণা এবং উন্নয়ন বিভাগের সহায়তায় পণ্যের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সিঙ্গার বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বিনিয়োগ করেছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের জন্য উন্নততর মানের পণ্য উৎপাদন করা এবং  বাংলাদেশকে এই অঞ্চলের একটি রপ্তানিকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

প্রকল্পটির নির্মাণকাজ দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করছে সিঙ্গার। হোম অ্যাপ্লায়েন্স শিল্পে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আর্চেলিকের পাশাপাশি সিঙ্গারও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন এই ম্যানুফ্যাকচারিং কমপ্লেক্সটিকে পরিবেশবান্ধব ‘গ্রিন বিল্ডিং’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, যার কারণে কার্বন ফুটপ্রিন্ট এবং জিএমজি নির্গমন  কম হবে। সিঙ্গারের নতুন এই  ম্যানুফ্যাকচারিং কমপ্লেক্স রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশনার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স তৈরি করবে। কমপ্লেক্সের বিভিন্ন প্ল্যান্টে প্রায় চার হাজার কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিজ্ঞপ্তি