পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধিদল। গতকাল সকালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজার ঘাট পরিদর্শন করেছে প্রতিনিধিদলটি। এসময় তারা বাংলাবাজার ঘাটের বিভিন্ন পয়েন্ট পর্যবেক্ষণ করে। প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, ইকবাল হোসেন অপু এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, এসএম কামাল হোসেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনির চৌধুরী, জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোস্তফা রাসেল প্রমুখ। এ সময় এসএসএফ, জেলা প্রশাসন, পুলিশসহ একাধিক সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তির সেতু। পদ্মা সেতু আমাদের স্বপ্নের সেতু, এর জনসভাও হবে ঐতিহাসিক।’
আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপের কারণে পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন হয়েছে। পদ্মার পাড়ে আশপাশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জনসভা এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হবে। উৎসবের এ সভায় জাতির উদ্দেশে, বাংলাদেশের মানুষের উদ্দেশে উন্নয়ন অগ্রগতির বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ উদ্বোধন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এই ঐতিহাসিক জনসভায় ১০ লক্ষাধিক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবে।’
তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘বিএনপির নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তারা যদি কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম, ৭৫-এর ঘাতকদের মতো খুন সন্ত্রাস করতে চায় তাহলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মোকাবিলা করবে।’