প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের পর এবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া কোম্পানির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) শেয়ার পেতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদেরও বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে শর্তারোপ করেছে এসইসি। আগে ব্যক্তিশ্রেণির যে কোনো বিনিয়োগকারীর সেকেন্ডারি বাজারে ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকলেই তিনি আইপিও শেয়ারে আবেদন করতে পারতেন। এখন থেকে আইপিও শেয়ার পেতে বিনিয়োগ ৫০ হাজার টাকা থাকতে হবে। একইভাবে প্রবাসীদের জন্যও বিনিয়োগসীমা এক লাখ টাকা করা হয়েছে। গতকাল এসইসির নিয়মিত সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গতকাল কমিশন সভা শেষে এসইসির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে তারল্য বৃদ্ধি, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের আইপিও আবেদনে সুযোগ করে দিতে এই বিনিয়োগ সীমা আরোপ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৩ মে পুঁজিবাজারে তারল্য বাড়াতে আইপিও শেয়ারের কোটাপ্রাপ্তিতে সেকেন্ডারি বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদেরও বিনিয়োগসীমা তিনগুণ বাড়ানোর শর্তারোপ করে কমিশন। এখন থেকে পেনশন ফান্ড এবং স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ড ছাড়া অন্য যোগ্য বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারে বিদ্যমান বিনিয়োগসীমা ১ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩ কোটি টাকা করা হয়েছে। আর অনুমোদিত পেনশন ফান্ড এবং স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ ৫০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দেড় কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। আইপিও শেয়ার পেতে হলে কাট অফ ডেটে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন সিকিউরিটিজে এসব প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উল্লিখিত পরিমাণের বিনিয়োগ থাকতে হবে।