কর্মশালায় চীনের রাষ্ট্রদূত

আইপিইএফ নিয়ে বাংলাদেশ বিচক্ষণতার পরিচয় দেবে

যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক জোট ইন্দো-প্যাসিফিক ইকোনমিক ফ্রেমওয়ার্ক (আইপিইএফ) নিয়ে বাংলাদেশকে সতর্ক করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। নতুন এ জোটের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ বিচক্ষণতার পরিচয় দেবে বলে প্রত্যাশা ঢাকায় চীনের শীর্ষ এ কূটনীতিকের। গতকাল বুধবার রাজধানী ঢাকার একটি হোটেলে চীনের বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার বিষয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

কর্মশালায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ‘আমাদের অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য শান্তি ও স্থিতিশীলতা জরুরি। সবাই জানেন, সম্প্রতি খারাপ কিছু ঘটেছে। এ নিয়ে শোরগোল হচ্ছে। আমাদের এ অঞ্চলে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু ঘটেছে। অকাস (অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের জোট), কোয়াড (জাপান, ভারত ও অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট) ও আইপিইএফ ছাড়াই এক দশক ধরেই আমরা ভালো করছি। হঠাৎ করে এ বিষয়গুলো এখন আমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এসব ছাড়াই আমরা আরও ভালো করব। কাজেই আমাদের এসবে যোগ দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়ে নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেদেরই নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ নিয়ে (মার্কিন উদ্যোগে যোগদান) নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ যথেষ্ট বিচক্ষণ। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা বিচক্ষণতার পরিচয় দেবেন। আমরা এ অঞ্চলে শান্তি চাই। আমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। এটা যেকোনো উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্যও এটা প্রযোজ্য।’

কীভাবে চীনে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো যায় সেটা এখন সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় উল্লেখ করে লি জিমিং বলেন, ‘চীনের উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে।’