জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের প্রশংসা করেছে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)। এক তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম করোনা মহামারী-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এ বাজেট সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন। এই বাজেট বাস্তবায়ন হলে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কাক্সিক্ষত উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি।
দেশ রূপান্তরের কাছে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় চেম্বার সভাপতি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করপোরেট করহার হ্রাস করায় বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণ সম্প্রসারিত হবে। তবে ৫.৬% মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সেই অনুপাতে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়-সীমাও বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
চেম্বার সভাপতি বলেন, বাজেটে মোট ব্যয় ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, মোট আয় ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা এবং ঘাটতি ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। পরিচালন ব্যয় ৪ লাখ ১১ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হবে। অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ বাবদ ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে, যা সরকারের বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ঘাটতি মোকাবিলায় ক্রমবর্ধমান ঋণের ক্ষেত্রে সরকারের সচেতন হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।
তিনি বলেন, বাজেটে পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানির করহার ২২.৫% থেকে কমিয়ে ২০%, পাবলিকলি ট্রেডেড নয় এমন কোম্পানির কর ৩০% থেকে কমিয়ে ২৭.৫% এবং এক ব্যক্তি কোম্পানির ক্ষেত্রে ২৫% থেকে কমিয়ে ২২.৫% করা হয়েছেযা বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে উৎসাহিত করবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। ট্রেডিং পণ্য সরবরাহের ওপর উৎসে কর ৭% থেকে কমিয়ে ৫% করা হয়েছে, যা ইতিবাচক।