আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে স্কুল-কলেজ

দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনাসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতিতে দুর্গতদের নিজ এলাকায় স্কুল-কলেজকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। গত শুক্রবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সব আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্কুল-কলেজগুলো প্রধানদের পাঠানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্গত জনগণের নিরাপদ আশ্রয় দিতে কাছাকাছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অস্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলো।

এদিকে আজ রবিবার থেকে এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বন্যার কারণে দেশের বড় এই পাবলিক পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া বন্যাদুর্গত এলাকার সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত কয়েকদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের বি.এড পরীক্ষা স্থগিত : বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলমান ২০২০ সালের বি.এড অনার্স প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় সেমিস্টার এবং বি.এড অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ চতুর্থ সেমিস্টারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, স্থগিত এই দুই পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরবর্তী সময়ে সবাইকে জানানো হবে।