পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া আজিজ আহম্মেদ কলেজের অধ্যক্ষ আহসানুল কবিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে দুমকি প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে কলেজটির প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য মুরাদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মৃত মমতাজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে জসিম উদ্দিন হাওলাদার এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
জসিম উদ্দিন হাওলাদার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০০৫ সালে রেজল্যুশন ঘষামাজা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে রসায়ন বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ এবং একই বোর্ডে অধ্যক্ষের নিয়োগ দেখান আহসানুল কবির। এর আগে তিনি পটুয়াখালী সদর উপজেলার ধরান্দি কলেজে রসায়ন বিভাগের প্রদর্শক পদে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করে তিনি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, অধ্যক্ষ পদে প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘাটতি থাকা এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্নের আগে তিনি কীভাবে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেলেন? আহসানুল কবির অধ্যক্ষের পদ বাগিয়ে কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি, অর্থবাণিজ্য, প্রতিষ্ঠানের অর্থ-তছরুপ করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। নিয়োগবাণিজ্যের অভিযোগে পটুয়াখালীর আদালতে তার বিরুদ্ধে মামলা চলমান।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আহসানুল কবির বলেন, কলেজে ল্যাব সহকারী পদে স্ত্রীকে চাকরি দিতে না পেরে জসিম উদ্দিন হাওলাদার আমার সম্মানহানির চেষ্টা করছেন।