সেন্ট লুসিয়া টেস্টের প্রথম দিনে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের দাপট। দ্বিতীয় দিন শাসন করল ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। তাদের লিডও দাঁড়িয়েছে ১০৬ রান।
সফরকারীদের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গিয়েছিল ২৩৪ রানে। লিটন দাস ছাড়া আর কেউ ফিফটির দেখা পাননি। উইন্ডিজ দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ৩৪০ রান নিয়ে।
যে আশা নিয়ে টাইগাররা দিন শুরু করেছিল তা পূর্ণ হয়নি। আরেকটি হতাশার দিন শেষে বাংলাদেশের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো মনে করেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দেখিয়েছে টেস্টে তারা বাংলাদেশের চেয়ে ভালো।
বিনা উইকেটে ৬৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করে স্বাগতিকেরা। সারাদিনে ৫ উইকেট পেলেও উইন্ডিজের বড় সংগ্রহের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি বাংলাদেশি বোলাররা। তার মধ্যে উল্লেখ করার মতো কেবল পেসার খালেদ আহমেদ ও স্পিনার মেহেদি হাসান মিরাজের দুটি করে উইকেট প্রাপ্তি।
দিনটা নিজের করে নিয়েছেন কাইল মেয়ার্স। বল হাতে ২ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে পেলেন সেঞ্চুরি। ১২৬ রানে অপরাজিত থেকে তৃতীয় দিন শুরু করবেন তিনি। তার সঙ্গে ব্যাটিংয়ে নামবেন ৩০ রানে অপরাজিত থাকা উইকেটরক্ষক জশুয়া ডি সিলভা।
১৩২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল উইন্ডিজ। কিন্তু মেয়ার্স টাইগারদের এরপর আর গর্জন করতে দেননি। তার ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় উইন্ডিজ। দ্বিতীয় দিন দুর্দান্ত শুরুর পরও ক্যারিবিয়ানদের থামাতে না পারা হতাশ করেছে ডমিঙ্গোকে।
দিন শেষে টাইগারদের কোচ বলেই ফেললেন, ‘যথেষ্ট ভালো হয়নি। এই মুহূর্তে ব্যাট ও বোলিং নিয়ে অনেক গুরুতর প্রশ্ন আছে। এটি ২৫০ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার উইকেট নয়। শেষে যদি ৩০ রানের জুটি না হতো তাহলে আমরা ১৯০ রানে অলআউট হয়ে যেতাম।’
ব্যাটে-বলে হতাশ বাংলাদেশের চেয়ে টেস্টে যে উইন্ডিজ এগিয়ে এ যেন তার প্রমাণ। এমনটাই মনে করেন ডমিঙ্গো, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ আমাদের দেখাচ্ছে, কেন তারা এই ফরম্যাটে এই মুহূর্তে আমাদের চেয়ে ভালো। তারা এমন একজনকে পেয়েছে যে সেঞ্চুরি করেছে এবং তারা একটি বড় স্কোর তৈরি করেছে। এর কারণ চাপ সহ্য করে তারা জুটি গড়তে পেরেছে। আর এখানেই আমরা ব্যর্থ হয়েছি। তারা অনেকক্ষণ ধরে ব্যাটিং করেছে এবং আমাদের দেখিয়েছে কীভাবে ব্যাট করতে হয়।’