পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণ

জাপানের সঙ্গে ১১৪০০ কোটি টাকার ঋণচুক্তি

মেট্রোরেল লাইন-৫ প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানের সঙ্গে ১১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার একটি ঋণচুক্তি করেছে সরকার। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও জাপান সরকারের উন্নয়ন সংস্থার (জাইকা) পক্ষে দেশটির রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশে জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইউহো হায়াকাওয়াও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ইআরডির সিনিয়র সচিব করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ভার্চুয়ালি ঋণচুক্তি সই হয়। ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫) : নর্দার্ন রুট প্রকল্পের পরিচালক মো. আফতাব হোসেন খান চুক্তি সইয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

মেট্রোরেল লাইন-৫ প্রকল্পের আওতায় সাভারের হেমায়েতপুর-বালিয়ারপুর-মধুমতি-আমিনবাজার-গাবতলী-দারুসসালাম-মিরপুর ১- মিরপুর ১০-মিরপুর ১৪-কচুক্ষেত-বনানী-গুলশান ২-নতুনবাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত পাতাল ও উড়াল রেলপথ হবে। এই প্রকল্পে মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ৪১ হাজার ২৩৮ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় ১৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার পাতাল রেল এবং ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেল হবে। মোট ব্যয়ের মধ্যে জাইকা দেবে ৩০ হাজার ৭৫৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২৮-এর ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটির কাজ সম্পন্ন হবে।

প্রস্তাবিত এমআরটি রুট-৫ (নর্দার্ন রুট)-এ ১৪টি স্টেশন থাকবে। এর মধ্যে নয়টি স্টেশন হবে মাটির নিচে। আর বাকি পাঁচটি স্টেশন থাকবে মাটির ওপরে।

প্রস্তাবিত পাতাল স্টেশনগুলো হচ্ছে হেমায়েতপুর, বালিয়ারপুর, মধুমতি, আমিনবাজার, গাবতলী, দারুসসালাম, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৪। অন্যদিকে কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-২, নতুনবাজার, ভাটারা স্টেশনগুলো হবে উড়াল।