পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের উপনির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে ক্ষমতাচ্যুত ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। পাঞ্জাবের ২০টি আসনের ১৫টিতেই জয় পেয়ে আগাম জাতীয় নির্বাচন দাবি করেছেন ইমরান।
গত এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারানোর পর ইমরানের সামনে বড় পরীক্ষা ছিল পাঞ্জাবের নির্বাচন। এই পরীক্ষায় উতরে গেছেন তিনি।
গত রবিবারের উপনির্বাচনে ইমরানের দলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এন (পিএমএল-এন) মাত্র চারটি আসনে জয় পেয়েছে এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিতেছেন। নিজেদের শক্ত ঘাঁটিতে পিএমএল-এনের এই শোচনীয় পরাজয়কে শাহবাজের জন্য বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে। পাকিস্তানি গণমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণ বলছে, অর্থনৈতিক দৈন্যদশার শিকার পাঞ্জাবিরা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাসীনদের একটি বার্তা দিয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদন বলছে, পিটিআইয়ের পাঞ্জাব জয় ২০২৩ সালে হতে যাওয়া পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফলের পূর্বাভাস দিচ্ছে।
গতকাল সোমবার ভোট গণনা শেষে ইমরান খান টুইটার পোস্টে লিখেন, ‘এখান থেকে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় হলো অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন। অন্য কোনো উপায় শুধু রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং আরও অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলার দিকে নিয়ে যাবে।’
ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই রাজনীতির মাঠ গরম রেখেছিলেন ইমরান। মিছিল, জনসভায় হাজার হাজার সমর্থকের বিক্ষোভ-প্রতিবাদে পাকিস্তানের রাজনীতিতে নিজেকে আরও শক্ত করেছেন ইমরান। সাবেক এই ক্রিকেট তারকা বরাবরই দাবি করে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে বিদেশি চক্রান্তে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে হয়েছে। যদিও ওয়াশিংটন আগেই বলেছে এই দাবির কোনো ভিত্তি নেই।