মেষ: “শুক্রে ভানুস্বর্ভানুবীক্ষিতে...” রবিসহ শুক্র দ্বাদশে অবস্থান করায় আপনার কিছু উটকো অর্থ ব্যয় হবে। তাই অর্থ সঞ্চয় করা ভালো।
বৃষ: বৃহস্পতি লগ্নারূঢ় পদের সপ্তমে অবস্থান করায় পাপাগ্রহের দৃষ্টি রয়েছে। ফলে যেচে কোনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন না। রাজরোষে পড়বেন।
মিথুন: বশ্যকুটের অধ্যয়নে দেখা যায় নক্ষত্রগত অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর মিলনে প্রতিবন্ধী সন্তান জন্মাতে পারে। তাই মিলনে জন্মনিরোধক ব্যবহার করুন।
কর্কট: অশ্লেষা নক্ষত্রের প্রভাবে রাক্ষস ন্যায় বীভৎসতা আপনাকে প্রলুব্ধ করতে পারে। সাবধান ভুলেও ক্রোধের বশবর্তী হয়ে দৈহিক দ্বন্দ্বে জড়াবেন না।
সিংহ: ইন্দ্রযোগে জন্মের ফলে ধর্ম-কর্মে জাতক মনোনিবেশ করেন। কিন্তু ইবলিসের প্ররোচনায় নারীর প্রতি আকর্ষণ জন্মাবে। পরকীয়া থেকে সাবধান।
কন্যা: “মিত্রোপকারী বিভাবাতিযুক্তো বিনীত মূর্তিঃ” আপনার সঞ্চয়কৃত অর্থ পরোপকারে ব্যয় হবে। এ নিয়ে পারিবারিক অশান্তি দেখা দিতে পারে।
তুলা: আপনার ইন্দ্রিয়ের ওপর যে কঠোর সংযম রয়েছে তা আপনার পারিবারিক অশান্তির কারণ হতে পারে। সাধু-সন্ত না হয়ে মানুষ হন, শান্তি পাবেন।
বৃশ্চিক: বৈধৃতিযোগে জন্ম হওয়ায় জাতক নিকটাত্মীয়ের কাছ থেকে ভুলের শিকার হয়ে অযথা মানসিক কষ্টে ভুগবেন। পরিবারের প্রবীণের পরামর্শ নিন।
ধনু: জাতক ব্রহ্মযোগে জন্ম হওয়াতে শাস্ত্রালোচনায় যুক্ত হবেন। তবে শিক্ষক সম্প্রদায় রিপুর তাড়নায় আদিরসাক্রান্ত হয়ে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন হবে।
মকর: শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হবেন। এ সপ্তাহে জায়গাজমি সংক্রান্ত কোনো দলিল সম্পাদন না করা উত্তম।
কুম্ভ: রবি লগ্নের অষ্টমে অবস্থান করায় গুপ্তরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনুগ্রহ করে বারবনিতা পরিহার করুন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মীন: সপ্তশূন্য গণনা-প্রকরণে দেখা যায় যে, জাতকের হঠাৎ অযাচিত রূপে অর্থসম্পদ লাভ হতে পারে। তবে তস্করের আবির্ভাব ঘটবে। সাবধান থাকবেন।