ফেনীর সোনাগাজীতে এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মতিগঞ্জ আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী নূর নবীকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে।
মঙ্গলবার বিকেলে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বিদ্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নূর নবী আমিরাবাদ ইউনিয়নের চরডুব্বা গ্রামের বকু হাজী বাড়ির মৃত ওয়াজি উল্যাহর ছেলে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুলাই সকাল সাতটায় কয়েকজন ছাত্রী বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যান। সাড়ে আটটার দিকে প্রাইভেট ছুটির পর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ছবি ও ভুল সংশোধনের কথা বলে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অফিস সহকারী নুরনবী তার কক্ষে ডেকে নেন। সেখানে রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফাইল বের করে ছাত্রীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন।
পরদিন ২৫ জুলাই সোমবার ভয়ে ওই ছাত্রী বিদ্যালয় ও প্রাইভেট পড়তে যাননি। মঙ্গলবারও বিদ্যালয়ে ও প্রাইভেট পড়তে না যেতে চাইলে ওই ছাত্রীর মা তাকে বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি তার মাকে বিষয়টি খুলে বলেন।
তাৎক্ষণিক ওই ছাত্রীকে নিয়ে তার স্বজনরা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্যান্য শিক্ষকদের জানান।
পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ পরিচালনা কমিটির সদস্যদের নিয়ে তার কার্যালয়ে বৈঠক করেন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষার্থীসহ একাধিক শিক্ষার্থীর বক্তব্য শুনে তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে আইনগত প্রতিকার পেতে থানায় মামলা দায়ের করতে বলেন। পরে ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নূরনবীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তাকে বিদ্যালয় থেকে গ্রেপ্তার করে।
মতিগঞ্জ আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অফিস সহকারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ খালেদ হোসেন দাইয়্যান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।