১৩ বছরের এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেম। সকালের দিকে কিশোরীকে বিয়ের জন্য নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন বিদ্যা মিয়া (১৭) নামে এক কিশোর।
কিশোরের পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা কিশোরীর অভিভাবককে খবর দেন এবং মেয়েকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেন।
সন্ধ্যার দিকে মেয়েটিকে পরিবারের লোকজন নিয়ে যাওয়ার সময় ওই কিশোর ‘মরে যাবেন’ বলে বাড়ি থেকে বের যান যান।
সোমবার ভোর ৩টার দিকে কিশোরের বাড়ির অদূরে রেইনট্রিগাছ থেকে ওই কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও থানা-পুলিশ।
নিহত বিদ্যা মিয়া নেত্রকোনা পৌরশহরের মাহমুদপুর এলাকার রাজমিস্ত্রি আবুল কালামের ছেলে। তিনি রাজমিস্ত্রিরা যখন যে কাজ পান দিনমজুর হিসেবে করতেন।
এলাকাবাসীর ধারণা, রাতের কোনো এক সময় গাছে ঝুলে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বিদ্যা মিয়া।
নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ মামুন জানান, মাহমুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রেইনট্রি গাছের ঝুলে থাকা লাশে খবর পায় পুলিশ। গাছের অনেক উপরে থাকায় লাশ নামানোর জন্য পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সাহায্য চাই। শেষ রাতের দিকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গাছ থেকে লাশটি নামিয়ে আনে।
নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ কিশোরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মেয়েসহ দুই পক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। উদ্ধারের পর মৃতদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি জানান।