চলতি আগস্টের প্রথম ১৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, যা এর আগের বছরের একই সময়ে আসা রেমিট্যান্সের তুলনায় ১৬ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। ২০২১ সালের আগস্ট মাসের ১ থেকে ১৬ তারিখ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছিল ১০০ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ করা পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি ২০২২-২৩ অথবছরের ১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ৩২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা এর আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছিল ২৮৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
একক মাস হিসেবে গত জুলাই থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো রয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, করোনা মহামারীর মধ্যেও রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো ছিল। তবে গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স কিছুটা কমে আসায় রিজার্ভ কিছুটা চাপে পড়ে। তবে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো রয়েছে। রেমিট্যান্স আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তারা।
বৈশ্বিক মহামারীসহ নানা ধরনের অভিঘাত থেকে অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে রেমিট্যান্স আহরণের ওপর নগদ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করে সরকার। এতে তাৎক্ষণিকভাবেই রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়তে শুরু করে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সূত্রে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডলারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশেও এর প্রভাব দেখা দেয় এবং রেমিট্যান্স প্রেরণকারীরা এর সুবিধা পেতে শুরু করে। দুই মাস আগেও এক ডলার পাঠিয়ে যেখানে ৯০ টাকা পাওয়া যেত এখন সেখানে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১০৩-১০৪ টাকা। ফলে ডলারের দরবৃদ্ধিও নগদ প্রণোদনার কাজ করছে বলে মনে করছেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।