ঘড়ির কাঁটায় তখন বেলা ১২টা। মিরপুরের মাঠে তপ্ত রোদে অনুশীলনে ব্যস্ত ক্রিকেটাররা। এমন সময় হোম অব ক্রিকেটে দেখা গেল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সাকিবসহ প্রস্তুতিতে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বললেন। আলোচনা করলেন ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্সের সঙ্গেও। পরে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানালেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আত্মবিশ্বাসী, যা এই মুহূর্তে প্রয়োজন।
বাংলাদেশ দলের কোচেরা আছেন ছুটিতে। খেলোয়াড়রাও পেয়েছেন বিশ্রাম। তবে নিজেদের তাগিদে ব্যক্তিগতভাবে অনেকেই করছেন অনুশীলন। আর ক্লাসের সেরা ছাত্রের মতো প্রতিদিনই অনুশীলনে থাকছেন সাকিব আল হাসান। নেটে কাটাচ্ছেন লম্বা সময়। ব্যাটিংয়েও নিচ্ছেন বাড়তি সময়। আজও ব্যতিক্রম ছিল না, ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন চলছিল।
টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর থেকে সাকিব প্রতিদিন রুটিন করে অনুশীলনে আসছেন। এছাড়া ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্সের সঙ্গেও কাটছে সময় বেশ। গত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ছাড়া শেষ চার-পাঁচদিন একটানা অনুশীলন করেছেন। আজ শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিনে সরকারি ছুটির দিনেও সকালেই শের-ই-বাংলায় এসে হাজির সাকিব।
সাকিবরা যখন অনুশীলনে মগ্ন, তখনই মাঠে প্রবেশ করেন বিসিবি প্রধান। ঢুকেই সাকিবের সঙ্গে কথা বললেন পাপন। ব্যাটিং কোচ জেমিও ছিলেন সে কথোপকোথনে। কী কথা হলো বিসিবি প্রধান আর জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টির নতুন অধিনায়ক সাকিবের মধ্যে? এশিয়া কাপে সাকিব বাহিনীর কাছে বিসিবি সভাপতির বার্তাটা কী? অধিনায়ক সাকিবই বা কী চাচ্ছেন?
উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে পাপনের কথা, ‘সাকিবের সঙ্গে নিয়মিতই কথা হয়। সব খেলোয়াড়ের সঙ্গেই কথা হয়। সাকিবের কাছে জানতে চাচ্ছিলাম, ওর কী মনে হচ্ছে? কী হতে পারে? একটা জিনিস দেখলাম, সাকিব খুব আত্মবিশ্বাসী, ওর ঐ আত্মবিশ্বাস সবসময়ই থাকে। ওর আত্মবিশ্বাস থাকাটা জরুরি এখন। মানে জিততে পারবো, এটা থাকতে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘খেলার জন্য খেলতে গেলাম, গিয়ে হারা-জেতা নিয়ে আমার কথা নেই। একটা খেলার মধ্যে জিততে পারবো, এই আত্মবিশ্বাসটা জরুরী। এটা দেখতে পেরেছি, আমি খুশি। সেখানে গিয়ে কী কী হতে পারে তা দেখেছি। ভালোই, আমার কাছে হারা-জেতাটা বড় কথা না। এবার ভালো খেলার চেষ্টা করবে, তাতে সন্দেহ নেই।’