তুলে নিয়ে পোশাকশ্রমিককে ধর্ষণ আ.লীগ নেতার!

গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানা আওয়ামী লীগের এক নেতার বিরুদ্ধে এক নারী পোশাকশ্রমিককে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ১৮ দিন ধরে ১৬ বছর বয়সী মেয়েটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় গতকাল রবিবার গাছা থানায় মামলা করেছেন তার মা।    

মামলার আসামি শহিদুজ্জামান সুমন (৪০) সস্ত্রীক পলাতক আছেন। তিনি স্থানীয় কুনিয়া তারগাছ এলাকার বাসিন্দা এবং ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। মামলা সূত্রে জানা যায়, মহানগরীর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুনিয়া তারগাছ এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা

সুমনের ভবনে অবস্থিত দরাজ গার্মেন্টস কারখানায় ওই পোশাকশ্রমিক চাকরি করতেন। সুযোগ পেলেই ভবন মালিক সুমন তাকে উত্ত্যক্ত করতেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দিতেন। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখান এবং এলাকাছাড়া করারও হুমকি দেন তিনি। এতে মেয়েটি ভয়ে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ৩ আগস্ট সে কর্মস্থল থেকে বাসায় না ফেরায় তার মা ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় কারখানায় খোঁজ নিতে যান। সে সময় মেয়েটির সহকর্মীরা জানান, সুমন তাকে কারখানা থেকে জোর করে ধরে নিয়ে গেছে। এ ঘটনার পর ১৮ দিনেও

ওই পোশাকশ্রমিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।    

নিখোঁজ মেয়েটির মা বলেন, ‘ঘটনার দিন রাতেই সুমনের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রীকে ঘটনাটি জানাই। সে আমাকে যা হয়েছে তা ভুলে গিয়ে ৫০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছিল। আরও বলেছিল, খোঁজাখুঁজি করে কোনো লাভ নাই। সুমন সময়মতোই আমার মেয়েকে নিয়ে হাজির হবে।’

এ ব্যাপারে গাছা থানার ওসি নন্দলাল চৌধুরী বলেন, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে শহিদুজ্জামান সুমন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আসামি গ্রেপ্তার ও মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিম উদ্ধার হলে বিস্তারিত জানা যাবে।