অতিমুনাফা লোভী ব্যবসায়ীরা বেআইনিভাবে ডিমের দাম বাড়িয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। এখন থেকে ডিম বিক্রির কার্যক্রমে মূল্যের কারসাজি পেলেই জরিমানার সঙ্গে সঙ্গে মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। গতকাল রবিবার ভোক্তা অধিকারের প্রধান কার্যালয়ে ডিম, মুরগিসহ নিত্যপণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
শফিকুজ্জামান আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির দোহাই দিয়ে প্রতি পিস ডিমের দাম ৩ পয়সা থেকে ৪ পয়সা বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও ব্যবসায়ীরা অতিমুনাফার লোভে ডিমপ্রতি দাম বাড়িয়েছেন ২ টাকা ৭০ পয়সা পর্যন্ত; যা সম্পূর্ণভাবে অনৈতিক ও বেআইনি।
মতবিনিময় সভায় ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার ম-ল বলেন, কয়েক দিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করে দেখা যায়, কোথাও ডিম বেচাকেনার মূল্যতালিকা ছিল না। ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছামতো ডিমের দাম নির্ধারণ করে বিক্রি করেছেন।
সভায় দাম বাড়ানোর বিষয়ে ব্যবসায়ীদের প্রতি ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক প্রশ্ন ছুড়ে দিলেও এর সঠিক কোনো জবাব দিতে পারেননি তারা।
আলোচনায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তাফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণে সংকট মোকাবিলা করতে হয় দেশের সাধারণ জনগণকে। সুনাম ক্ষুন্ন হয় নিয়মিত সৎ ব্যবসায়ীদের। এসব অসাধু, মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমিয়ে আনতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করে বিক্রির কার্যক্রম অটোমেশন পদ্ধতিতে নিয়ে আসতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থাও রাখা দরকার।