জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য কর্মঘণ্টা কমিয়ে অফিস সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। পাশাপাশি স্কুলের সাপ্তাহিক ছুটিও দুদিন করা হয়েছে। সরকারের এসব সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা ও সংকট নিয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সম্পাদকীয় বিভাগের সহ-সম্পাদক সাঈদ জুবেরী
দেশ রূপান্তর : জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য কর্মঘণ্টা কমিয়ে অফিস সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। এই পদক্ষেপে জ্বালানি সাশ্রয় হবে বলে মনে করেন কি?
আলী ইমাম মজুমদার : যেহেতু এক ঘণ্টা অফিসের সময়সূচি কমানো হয়েছে, তারপর স্কুলও একদিন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, এতে জ্বালানি সাশ্রয় কিছুটা হবে, অবশ্যই হবে।
দেশ রূপান্তর : ২৫ আগস্ট থেকে সকাল ৮টা-বেলা ৩টা সময়সূচিতে শুরু হয়েছে সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসের কার্যক্রম। ব্যাংক খোলা ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন সরকারি অফিসে নতুন সময়সূচির ফলে বিদ্যুতের সরবরাহ ভালো হওয়ার পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থার ওপরে চাপ কমবে। আপনার কী মনে হয়?
আলী ইমাম মজুমদার : এখানে ব্যাপারটা হচ্ছে, মূলত উদ্দেশ্যটা মহৎ। এটাকে আমি ওয়েলকাম করছি। একঘণ্টা অফিস কমিয়ে দিয়েছে, সেটা ঠিক আছে। তবে এটা টেম্পোরারি হওয়া উচিত। এটা কিছুদিন পরে রিভিউ করা উচিত। কারণ, সবসময় তো এরকম থাকবে না।
আমাদের এখানে আমরা সারা দেশে একাধিকবার বিভিন্ন সময়সূচি নিয়ে অফিস করেছি... আমরা যখন চাকরিতে ঢুকি, তখন সাপ্তাহিক ছুটি ছিল রবিবার, শনিবার ছিল হাফ ছুটি। সেখানে আমাদের অফিস টাইম ছিল ১০টা-৫টা, আর শনিবারে ছিল ২টা পর্যন্ত। আমাদের তো প্রথমে মফস্বল থেকে চাকরির শুরু, মাঠপর্যায়ের লোক আমরা। তখনো কিন্তু সচিবালয় ছিল আড়াইটা পর্যন্ত। এখন সরকার অফিস টাইম ৮টা-৩টা করেছে, সেটা যদি ৯টা থেকে করা হতো স্কুলটাইম আর অফিস টাইম একই সময়ে হতো না। একইভাবে এই সময়সূচি মফস্বলের জন্যও যথাযথ নয় বলে মনে করি। ধরুন, আপনার দেশের বাড়িতে জেলা সদরের বিভিন্ন কাজে, মানে মামলা ছাড়াও নানান কাজে গ্রাম থেকে লোকে জেলা শহরে আসে। সেখানে এমন ব্যবস্থা তো অনেক প্রত্যন্ত স্থানেও নেই যে গ্রাম থেকে সকাল ৮টার মধ্যে জেলা শহরে চলে আসব। দেখা যায় দূরের কোনো গ্রাম থেকে এক/দুই মাইল হেঁটে এসে অটো বা কোনো বাহনে করে বাসস্টপে আসবে, বাস ধরে উপজেলায় যাবে, সেখান থেকে আবার জেলা শহরে যাবে। সুতরাং, অফিস টাইম যেটা এতদিন ৯টা-৫টা ছিল সেটা এক ঘণ্টা কমিয়ে দিয়েও, মানে ৯টা-৪টা কিংবা ১০টা-৫টা করা যেত। কিন্তু মফস্বলের জন্যও অফিস টাইম এগিয়ে আনা ঠিক হয়নি। আর ঢাকার ক্ষেত্রে অফিস টাইম আর স্কুল টাইম একই সময়ে হয়ে যাওয়াটা সমস্যা। এটা ঠিক হয়নি। এখানে ৮টায় স্কুল শুরু হয়, অফিসও শুরু হয়। এখানে অফিস সহজেই ৯টা থেকে শুরু করা যেত।
দেশ রূপান্তর : করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর স্কুল-কলেজ খোলার অল্প দিনের মধ্যেই এখন স্কুলের ছুটি দুই দিন করা হলো। এটাকে কীভাবে দেখছেন?
আলী ইমাম মজুমদার : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে আমার ভিন্নমত আছে। এটা আবশ্যক ছিল না, এর জন্য কোনো দাবি ছিল না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পেছনে, মানে ঢাকা শহরের শিক্ষার্থীদের একটা অংশ গাড়িতে চলাফেরা করে। এছাড়া, আমাদের দেশের ব্যাপক পরিমাণ, লাখ লাখ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে যায়, তারা পায়ে হেঁটেই স্কুলে যায়। এখানে সারা দেশের লার্জ নাম্বার অব স্টুডেন্টদের কথা বলছি। যেখানে স্কুলগুলোতে লেখাপড়া ঠিকমতো হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে এবং শিক্ষকরাও মনোযোগী না, সময় মতো যান না বলে অভিযোগ আছে। আমাদের বেশিরভাগ স্কুলই তো দূর-দূরান্তে, গ্রাম বা মফস্বলের প্রাইমারি স্কুলের কথা বলছি। তো সেখানে আমরা চট করে দুদিন স্কুল ছুটি দিয়ে দিলাম। বলা হচ্ছে, ছাত্র-ছাত্রীরা পাঠে অধিকতর মনোযোগী হবে, এটা কীভাবে হবে আমি ঠিক বুঝিনি। মূলত যেটা বলতে চাই, এখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যে টাইমটা ঠিক করা হয়েছে, অফিস টাইমের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়নি। দেখা যাচ্ছে, সকাল ৭টা থেকে ট্রাফিক জ্যাম লেগে যায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুরুর সময়টা অফিসসূচির সঙ্গে অন্তত একঘণ্টা গ্যাপ রাখা উচিত ছিল।
আমার বক্তব্য হচ্ছে, সময় পরিবর্তনের উদ্দেশ্য ভালো, এখানে এনার্জি সেভ করার বিষয় আছে। এক ঘণ্টা যদি এনার্জি সেভ হয়, খারাপ কি! এটা একটা বড় ব্যাপার হবে। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এনার্জির খরচ কিন্তু ন্যূনতম পর্যায়ের। শুধু ঢাকা শহরের কিছু কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দেখে চিন্তা করলে কিন্তু হবে না। দেশের প্রাইমারি স্কুলগুলার কতটি ফ্যান আছে তা নিয়েও আমার সন্দেহ আছে। আমার মনে হয়, অনেক স্কুলেই সেটা নেই। ফ্যান হয়তো আছে, কিন্তু এসি তো আর চলে না। তো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের খরচটা কী? শুধু তা না একটা গ্রামের বাজার, বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত সব মিলিয়ে যে বিদ্যুৎ খরচ হয়, আপনার বসুন্ধরা শপিং মলে চলন্ত সিঁড়িগুলো চালাতে তার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
দেশ রূপান্তর : সরকার এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অফিসের সময়সূচি বদলেছে। বারবার অফিসসূচি বদলানোতে কি প্রশাসনে কাজের কোনো সমস্যা হয় বলে মনে করেন?
আলী ইমাম মজুমদার : না, ইউরোপেও তো গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অফিসসূচি আলাদা। মানে বছরে দুইবার চেঞ্জ হয়। এখন, আমাদের ব্যাপার হলো আমাদের অফিস টাইম চেঞ্জের দরকার হলে আমরা করব। এটা করা যাবে না, তা না। কিন্তু যখন-তখন খেয়ালখুশি মতো এটা করলাম এটা তো সমস্যা, একটু ভেবেচিন্তে করা দরকার। আগে থেকে প্রস্তুতি ছিল না, হঠাৎ করেই এটা এলো। তাই প্রশ্নটা উঠল। আগে থেকেই পত্র-পত্রিকায় এটা নিয়ে আলোচনা থাকলে আমরাও কিছু বলতে পারতাম, অনেকে বিভিন্নরকম পরামর্ম দিতে পারত। কিন্তু তা হয়নি। হঠাৎ করে ঘোষণাটা চলে এলো। আমি এখনো মনে করি যে, একটা জিনিস করে ফেলে তারপর সংশোধন করার মধ্যে কোনো লজ্জার ব্যাপার নেই। এটা কোনো অন্যায়ও নয়।
দেশ রূপান্তর : বেসরকারি অফিসের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা না থাকায় তাদের অফিস সময়সূচিতে অনুরূপ কোনো পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন কি?
আলী ইমাম মজুমদার : না, এক্ষেত্রে কিছু জটিলতা আছে। এ নিয়ে কোনো নির্দেশনাও তাই দেওয়া হয়নি। প্রথম কথা বেসরকারি খাতে উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত আছে আমাদের শিল্প। তো শিল্পের সঙ্গে জড়িত তাদের অফিস। শিল্প মালিক যারা, তারাই ঠিক করবেন তাদের অফিসের বিদ্যুৎ খরচ কমানোর বিষয়টি। সেটা যেন স্ট্রিক্টলি অবজার্ভ করা হয়। তারপর এখানে খাবার দোকান রাত ১০টা/১২টা পর্যন্ত খোলা রাখা যেতে পারে। কিন্তু চাইনিজ রেস্তোরাঁ খোলা রাখার তো দরকার নেই, একইভাবে মিষ্টির দোকান বেশি রাত পর্যন্ত খোলা রাখার কী দরকার! কিন্তু সাধারণ খাবারের দোকান-রেস্তোরাঁ খোলা থাকতে পারে। আপনারাও তো অনেক রাতে কাজ শেষ করে বের হয়ে খান, মেসে থাকেন অনেকে, তাদেরও তো খেতে হবে... তাই ওগুলো খোলা থাকুক। আর ওষুধের দোকান নিয়ে অকারণে একটা বিতর্ক গেল। ওষুধের দোকান রাতে খোলাই থাকে অনেক কম, গোটা উত্তরাতে মাত্র একটা ওষুধের দোকান সারা রাত খোলা থাকে, অন্যসব ওষুধের দোকান রাত ১০টার মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
দেশ রূপান্তর : সরকারি অফিসে সপ্তাহে দুদিন ছুটি থাকলেও দেশের বেশিরভাগ বেসরকারি কর্মক্ষেত্র, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানায় সাপ্তাহিক ছুটি একদিন। এতে কি জনশক্তির মধ্যে একটা বিভাজন এবং ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয় বলে মনে করেন?
আলী ইমাম মজুমদার : ব্যাপারটা হয়েছি কি, আপনাকে এটা মেনে নিতে হবে। কিছু বিভাজনকে আপনার মেনে নিতে হবে। ধরেন আপনি গণমাধ্যমকর্মী, আপনার জন্য তো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ছুটির যে বিধান সেটাও নেই। আপনি তো তা মেনে নিয়েই কাজ করছেন। আমরা যারা সিভিল প্রশাসনে কাজ করেছি, সচিবালয়ের কথা আলাদা, মাঠ প্রশাসনের কথা আপনারা জানেন, কাগজে-কলমে ছুটি আছে সপ্তাহে দুই দিন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমরা ছুটির দিন পাইনি। প্রোটোকল বলেন, ল’ অ্যান্ড অর্ডার বলেন... অন ডিউটিতে থাকাই লাগে।
দেশ রূপান্তর : বিশ্বের অনেক দেশ এখন সাপ্তাহিক ছুটি দুদিনের বদলে তিন দিন করার প্রয়াস চালাচ্ছে। এছাড়া করোনা মহামারীর পরবর্তী বিশ্বে বিভিন্ন দেশে সরকারি অফিস ও করপোরেটরাও হোম অফিসকে উৎসাহ দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের অফিস, কাজের ধরন ও মনোভাব নিয়ে নতুন চিন্তার সুযোগ আছে বলে মনে করেন কি?
আলী ইমাম মজুমদার : না, আমার মনে হয় এখনো না। যদিও আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে ২০১০ সালে যাত্রা শুরু করেছি বলা হয়। তবে এ পর্যন্ত যতটুকু হয়েছে তাতে ওয়ার্ক ফ্রম হোম সম্ভব না। আমাদের অফিসগুলোতে সারাক্ষণই কাজ হয় বিষয়টা এমনও না। তবে অফিসে থাকার এখনো দরকার আছে।
দেশ রূপান্তর : কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে কাটছাঁট, অফিসে এসি-লাইট ও কর্মকর্তাদের গাড়ি, বিদেশ ভ্রমণ, প্রশিক্ষণ-সেমিনার ইত্যাদি ক্ষেত্রে জ্বালানি সাশ্রয়ের যে নির্দেশনা সরকার দিয়েছে এটা অনুসরণ না হলে কি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের পদক্ষেপ সফল হবে?
আলী ইমাম মজুমদার : এটা অনেক ক্ষেত্রেই হচ্ছে। এসব নজরদারির জন্য সরকারের নানা পর্যায়ে লোক আছে। আর আমার মনে হয় সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর নিয়ে যে সিদ্ধান্ত, সেটা বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্যও ভেবে দেখা যেতে পারে। ধরেন এমন হলো যে বিদেশ সফরে গেলে যে খরচটা হতো তার কিছু অংশ বার্ষিক প্রণোদনা হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে দেওয়া হলো। হতে পারে অনেকে মানবেন না, কিন্তু কিছু লোক তো মানবেন, আইন কিন্তু লোকে কেবল ভাঙে না, এমনিতে মানেও, অনেকে ভয়েও মানে।
দেশ রূপান্তর: আজকাল সরকারি ভবনগুলি এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যে এসি না চালিয়ে কোনো উপায় নেই। আমাদের ভবন তৈরিতে কি কোনো সমস্যা আছে মনে করেন?
আলী ইমাম মজুমদার : সরকারি অফিসগুলোতে এককালে এসি ছিল না। আমরা এসিতে অভ্যস্ত ছিলাম না। আমি যখন সিলেটের ডিসি ছিলাম তখনো আমার অফিসরুমে এসি ছিল না। কনফারেন্স রুমে ছিল। তবে, এখন আস্তে আস্তে জায়গার পরিমাণ কমে যাচ্ছে। একটার পাশেই আরেকটা বিল্ডিং উঠছে। মাল্টিস্টোরেড হচ্ছে একটার পর একটা। এজন্য সীমাবদ্ধতাও চলে আসছে এক ধরনের। অ্যাজ ওয়েল অ্যাজ, আমাদের খুব একটা লাক্সারি ভাবও চলে আসছে। এখন কিন্তু সবাই ভাবে ঘরের মধ্যে একটা এসি থাকতে হবে। আমি তো মনে করি যেখানে সানলাইট ইউজ করা সম্ভব, সেখানে লাইট না জ্বালানো, আর বাইরের বাতাসের চলাচল যদি রুমে থাকে সেখানে তো ফ্যানও চালানো লাগে না। এমন ভাবে ভবনের পরিকল্পনা নিতে হবে যেন জলাশয় থাকে, বাতাসের চলাচল থাকে, সানলাইট পাওয়া যায়।
দেশ রূপান্তর : কৃষকরা যাতে আমন উৎপাদনে নিরবচ্ছিন্নভাবে সেচ সুবিধা পায়, সেজন্য গ্রমাঞ্চলে মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। জ¦ালানি সাশ্রয়ে এটা কতটা ভূমিকা রাখবে? আপনার মত কী?
আলী ইমাম মজুমদার : দেখেন প্রাকৃতিক একটা দুর্যোগ চলছে, সরকারের হয়তো এ ব্যাপারে কিছু করার নেই। এখানে আমন ইরিগেটেড না, প্রাকৃতিকভাবে সেচ হয় আউশ এবং আমন। ইরিগেটেড ধান হচ্ছে আমাদের বোরো। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখন আমনেই সেচ দিতে হচ্ছে। সরকার এর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে, আমি এর জন্য অভিনন্দন জানাই। সরকারের এ উদ্যোগ যাতে কার্যকর হয় সেজন্য সব এজেন্সির সক্রিয় থাকা উচিত।
দেশ রূপান্তর : আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আলী ইমাম মজুমদার : আপনাকে ও দেশ রূপান্তরকেও ধন্যবাদ।