বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ভালো জুটি গড়েন। দুজনেই লম্বা সময় ক্রিজে টিকে থাকতে পারেন। কিন্তু বেশিরভাগ ম্যাচেই এ দুজনের জুটি থেকে টি-টোয়েন্টি উপযোগী স্কোর আসে না।
খেলা শুরুর আগে জিটিভিতে আলোচনায় এ কথা বলেন ক্রিকেট কমেন্টেটর শামীম চৌধুরী। তার কথাটাই যেন সত্যি হলো। দুজনের ওপেনিং জুটি ভেঙে গেছে তৃতীয় ওভারেই। ১৬ বল স্থায়ী এই জুটি তুলতে পেরেছিল ১৫ রান। রান রেট ছয়েরও নিচে। যার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের পাওয়ার প্লের ওভারগুলোতে। অনেকটাই মন্থর গতিতে রান তুলেছে তারা। যার মধ্যে ডট বল খেলে ১৭টি। রিজওয়ান প্রথম ১৬ বল থেকে সংগ্রহ করেন মাত্র ৯ রান।
পাওয়ার প্লের ৬ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৪৩ রান। এসময়ে তারা হারিয়েছে দুটি উইকেট। রিজওয়ান ২০ বল খেলে ২০ রানে ও ইফতিখার আহমেদ ১ রানে অপরাজিত আছেন।
এ সময়েই পাকিস্তান হারিয়েছে অধিনায়ক বাবর আজমের উইকেট। ভুবনেশ্বর কুমারের শর্ট বল মারতে গিয়েছিলেন বাবর আজম। তবে তা এজ শর্ট ফাইন লেগে দাঁড়িয়ে থাকা আরশদীপ সিংয়ের তালুবন্দী হয়। পাকিস্তান হারায় তাদের অধিনায়ককে। ফিরে যাওয়ার আগে তিনি ৯ বলে ১০ রান করেছিলেন। তার ব্যাট থেকে আসে দুটি চারের মার।
এছাড়া আভেশ খানের এক্সট্রা বাউন্সের বল টোকা দিয়েছিলেন ফখর জামান। ব্যাটের কিনারায় লেগে উইকেট রক্ষকের হাতে বন্দী হয়। ফখর তখন মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে থাকেন। ফিরে যাওয়ার আগে ৬ বলে ১০ রান সংগ্রহ করেছিলেন।