যুক্তরাষ্ট্রে গোলাগুলির পৃথক ঘটনায় হামলাকারীসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েটে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। টেক্সাসে একটি ভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার পর জীবন বাঁচাতে পালাতে থাকা মানুষের ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। পরে পুলিশের গুলিতে হামলাকারীও নিহত হন। গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি এবং সিএনএন।
এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ডেট্রয়েট শহরে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তি পৃথকভাবে চারজনকে গুলি করেন। এতে তিনজন নিহত হয়েছেন এবং একজন আহত হয়েছেন। সন্দেহভাজন ওই অপরাধীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
মিডওয়েস্টার্ন সিটির পুলিশ প্রধান জেমস হোয়াইট জানান, হামলাকারীর গুলিতে নিহত তিনজনের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ। তাদেরকে রবিবার ভোরে শহরের আলাদা আলাদা জায়গায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। গুলিতে আহত চতুর্থ ব্যক্তি সন্দেহভাজন ব্যক্তির গাড়ির পাশে যান এবং তাকে থামতে বলেন। এরপরই সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি তাকে গুলি করেন বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
অন্যদিকে টেক্সাসের হিউস্টনে এক ব্যক্তি একটি ভবনে আগুন দেওয়ার পর সেখান থেকে পালাতে যাওয়া লোকদের ওপর গুলি করেন। গুলিতে কমপক্ষে তিনজন নিহত এবং দুজন আহত হন। স্থানীয় সময় রবিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শহরের পুলিশ প্রধান ট্রয় ফিনার।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ প্রধান জানান, তিনজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজন হামলাকারীকে হিউস্টনের এক পুলিশ কর্মকর্তা গুলি করে হত্যা করেন। নিহতরা সবাই পুরুষ এবং তাদের বয়স ৪০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। ফিনার বলেন, ‘ভীষণ কুটিল চিন্তার এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি বেশ কয়েকজন বাসিন্দাকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আগুনে পোড়ানোর চেষ্টা করেন।’
তার ভাষ্যমতে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ৪০ বছর বয়সী একজন আফ্রিকান-আমেরিকান, হামলার সময় তিনি আগাগোড়া কালো পোশাকে ঢাকা ছিলেন।