শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী বছরের মধ্যে সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটের আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়িত হয়েছে। এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ ইন্টারনেটের আওতায় আনা হবে। তৃণমূল থেকে বিজ্ঞানাগার, গবেষণাগার তৈরির ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হচ্ছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) ১৯তম বর্ষপূর্তি ডুয়েট ডে ২০২২ উপলক্ষে আলোচনা সভায় ডুয়েটের শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের নতুন শিক্ষাক্রমে শিক্ষাটা হবে আনন্দময়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হবে বিদ্যানিকেতন। সেখানে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন হবে, সক্রিয় শিখন হবে। আমরা এখন থিউরি মুখস্থ করব না। প্র্যাকটিক্যাল জিনিসগুলো শিখব। কী করে হয়, কেন হয়, কীভাবে হয় সেটা করে শিখব, সেটা মুখস্থ করার দরকার নেই। সেটা এমনিতেই মনে থাকবে।’
ডুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ। এ সময় ডুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক- শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
দীপু মনি আরও বলেন, ‘প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে যে উচ্চ শিক্ষা সেখানেও আমরা ব্যাপক পরিবর্তন নিয়ে আসছি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব অমিত সম্ভাবনা নিয়ে আসছে। এটাকে আমরা কাজে লাগাতে চাই।’
তিনি বলেন, ‘ডুয়েটের শিক্ষার্থীদের চাকরি সার্কুলারের যে সমস্যা আছে সেটা আমরা দেখব। এবং ডিপ্লোমা পাসের পর শিক্ষার্থীরা যেন শুধু ডুয়েট নয়, অনন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন পড়াশোনার সুযোগ পায় সেটির বিষয়ে কথা চলছে।’
ডুয়েটের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৫ একর জায়গা কম বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী। এটির পরিধি কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায় এ বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।