রণক্ষেত্র নারায়ণগঞ্জে গুলিতে নিহত যুবদল নেতা

বিএনপির কেন্দ্রঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সপ্তাহখানেক ধরেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী ও পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান পালনকে কেন্দ্র করে চারটি জেলায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। আগের কয়েক দিনের সহিংসতায় কারও প্রাণ না গেলেও এদিন নিহত হয়েছেন যুবদলের এক নেতা। এছাড়া পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ কমপক্ষে ২২৫ জনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হওয়া বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

গতকাল সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছে রাজধানী ঢাকার পাশের জেলা নারায়ণগঞ্জে। পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর চার ঘণ্টার জন্য অচল হয়ে পড়ে। শহরের ২নং রেলগেট এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে পুলিশের বাধাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে বঙ্গবন্ধু সড়ক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় পুলিশ সদস্যরা গুলি-টিয়ার শেল নিক্ষেপ এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা পাল্টা ককটেল ও ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে।

বিএনপি নেতাদের দাবি, পুলিশের ছোড়া গুলিতে ছাত্রদল ও যুবদলের দুই নেতা নিহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন তাদের প্রায় দেড়শ নেতাকর্মী। বিএনপির দাবি করা নিহত দুজন হলেন নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক খান সুজন এবং ফতুল্লার এনায়েতনগরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের নেতা শাওন প্রধান। তবে তাদের মধ্যে শুধু শাওনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নিহত শাওন প্রধানের বাড়ি ফতুল্লা থানার বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্ব গোপালনগর এলাকায়। এনায়েতনগর এলাকায় একটি কারখানায় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই শাওন মারা যান। তার শরীরে গুলির চিহ্ন রয়েছে।’

সংঘর্ষের সময় পুলিশের ছোড়া টিয়ার শেলের ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ে নগরীর মর্গান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৪ শিক্ষার্থী। তাদের তিনজন চেতনা হারিয়ে ফেলে। এছাড়াও আহত হয়েছেন সাংবাদিক ও পথচারীসহ অনেক সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪০০-৫০০ রাউন্ড গুলি, টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে। নগরীর বঙ্গবন্ধু সড়কের ২ নম্বর রেলগেট, ম-লপাড়া, ডিআইটি, দেওভোগ ও নিতাইগঞ্জ এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসব এলাকায় থেমে থেমে ও দফায় দফায় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুপুর ২টা পর্যন্ত পুরো নারায়ণগঞ্জ শহর স্থবির হয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কে সাধারণ মানুষকে দিগি¦দিক ছুটোছুটি করতে দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিএনপি নেতাকর্মীরা পাল্টা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ আরও গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ওইসব এলাকার রাস্তাঘাটে মানুষশূন্য হয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘আমি নিজে দুটি গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আছি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয়। একপর্যায়ে কোনো উসকানি ছাড়াই নির্বিচারে গুলি ছোড়ে।’

অন্যদিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন মোহনা টেলিভিশনের নারাণগঞ্জ প্রতিনিধি আজমেরী ও বিজয় টিভির গৌতম রায়।

সংঘর্ষ শেষে নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল দুপুর ২টার দিকে শহরের ২নং রেলগেট পুলিশ বক্সের সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে আসেন। তিনি বলেন, ‘কেউ নিহত হওয়ার সংবাদ পুলিশের কাছে নেই। পুলিশের প্রায় ১৪ জন আহত হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীরা কোনোরকম অনুমতি ছাড়াই মিছিল বের করে। যাতে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। তাদের বারবার অনুরোধ করলেও রাস্তা থেকে সরে দাঁড়ায়নি। উল্টো পুলিশের ওপর হামলা করেছে। পুলিশ জনগণের জানমাল ও নিরাপত্তা রক্ষায় আইনত ব্যবস্থা নিয়ে তাদের প্রতিহত করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আগে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়নি।’

নারায়ণগঞ্জ শহরে সংঘর্ষের পর বিকেলে জেলার রূপগঞ্জে বিএনপির এক নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গোলজার হোসেনের বাড়িতে এ হামলা হয় বলে দাবি করেছেন তিনি নিজেই। গোলজার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তার নগরপাড়া এলাকার বাড়িতে আওয়ামী লীগের লোকজন ওই হামলা চালিয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ শুক্রবার সকালে কায়েতপাড়ায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ সমাবেশের কথা ছিল। এ কর্মসূচি বানচাল করতেই আওয়ামী লীগের লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালায় বলে দাবি গোলজার হোসেনের।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কায়েতপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়নটির চেয়ারম্যান আলহাজ জাহেদ আলী বলেন, ‘এখানে বিএনপি কয়েক ভাগে বিভক্ত। হয়তো অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে তাদের নিজেদের লোকই ওই হামলা চালিয়েছে।’

সিরাজগঞ্জে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে আহত ২০ : সিরাজগঞ্জের ইবি রোডে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে দুপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইটপাটকেল, রাবার বুলেট ও টিয়ার শেলের আঘাতে ৭ পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়। সংঘর্ষস্থল থেকে ধারালো অস্ত্রসহ এক ছাত্রদল কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

সিরাজগঞ্জ সদর থানা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলা ১১টার দিকে জেলা বিএনপি সমাবেশের আয়োজন করে। সকাল থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীরা শহরের ইবি রোডের জেলা বিএনপি কার্যালয় ও পাশের ভাসানী মিলনায়তন চত্বরে সমবেত হয়। দলীয় সমাবেশ শেষে সবাই ফিরে যাওয়ার সময় হঠাৎ করেই বিএনপির কিছু কর্মী বিশৃঙ্খলা শুরু করে ও একটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। এতে বিএনপির নেতাকর্মীরা পিছু হটলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

নেত্রকোনায় সংঘর্ষে আহত ৩৫ : নেত্রকোনায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. ফখরুজ্জামান জুয়েলসহ বিএনপির ৩৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

জানা গেছে, জেলা বিএনপি সকাল ১০টায় ছোট বাজারের দলীয় কার্যালয়ে আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভায় আয়োজন করে। সকাল থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা খ- খ- মিছিল নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন। একপর্যায়ে দলীয় কার্যালয় ছাড়িয়ে আশপাশের রাস্তা বিএনপি নেতাকর্মীতে ভরে যায়। এতে রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে হওয়ার উপক্রম হয়। পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের রাস্তা ছেড়ে দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা সেøাগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা শুরু করে। পরে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এরপর পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছোড়ে।

মানিকগঞ্জে সাংবাদিকসহ আহত ২০ : মানিকগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন।

জানা গেছে, বেলা ১১টার দিকে বিএনপির কয়েকশ নেতাকর্মী জড়ো হয়ে শহীদ রফিক সড়কের দিকে আসতে থাকেন। এ সময় শহরের খালপাড় এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশও পাল্টা টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিএনপির তিন কর্মীকে আটক করেছে।

পটুয়াখালীতে বিএনপি নেতার বাড়িতে হামলা : পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হেমাংশু সরকার কুট্টির বাড়িতে হামলা হয়েছে। দুপুরে শহরের সেন্টারপাড়া এলাকায় একদল যুবক মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে তার বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তবে এতে বাড়ির তেমন কোনো ক্ষতি কিংবা কেউ হতাহত হয়নি।

হেমাংশু সরকার কুট্টি বলেন, ‘গত কয়েক দিন থেকেই অসুস্থ। আজ (গতকাল) সকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শেষ করে বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করেই ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ছেলেরা মোটরসাইকেলে মহড়া দিয়ে যাওয়ার সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।’

বরগুনায় পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশ : বরগুনায় পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে বিএনপি। দুপুর ১২টায় জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেস ক্লাব চত্বরে সমাবেশে অংশ নেয়। দলীয় কার্যালয় থেকে র‌্যালি বের করা হলে প্রথমে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। পরে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে তারা শহরে র‌্যালি করে।

রংপুরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি পালনে উত্তাপ : রংপুর মহানগরীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের একই সময়ে পাশাপাশি স্থানে কর্মসূচি পালনে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। গতকাল দুপুরে নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতাকর্মীরা র‌্যালি বের করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। অন্যদিকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবিতে বিএনপি অফিস থেকে মাত্র ৫৫০ মিটার দূরে রংপুর প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে মহানগর আওয়ামী লীগ।

সীতাকুন্ডে পুলিশের দুই মামলা : চট্টগ্রামের সীতাকু-ে বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, সমাবেশের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে দুটি মামলা করেছে পুলিশ। সীতাকুন্ডু থানার এসআই নির্মল ত্রিপুরা ও এসআই আবদুল্লাহ আল নোমান বাদী হয়ে বুধবার এ দুটি মামলা করেন। গত মঙ্গলবারের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলাগুলো করা হয়।

নোয়াখালীতে বিএনপির ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার : নোয়াখালীতে পুলিশ বিএনপির ১১ নেতাকর্মীসহ ৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার সকাল থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত জেলার বেগমগঞ্জ ও সোনাইমুড়ী উপজেলা থেকে তাদের আটক করা হয়। এর মধ্যে বেগমগঞ্জ থানায় বিএনপির সাত ও সোনাইমুড়ী থানায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

* প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলার প্রতিনিধি ও সংবাদদাতারা