সহজ লক্ষ্য সহজেই উতরে গেল শ্রীলঙ্কা। রান তাড়ায় নেমে শুরুতে ধাক্কা খেলেও পাথুম নিশাঙ্কার ফিফটিতে বিপদ কেটে যায়। ফাইনালে আগে তাই পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারানোর আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে লঙ্কানরা। ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করা পাকিস্তান গুটিয়ে গেছে মাত্র ১২১ রানে। জবাবে শ্রীলঙ্কা ২৯ রানে ৩ উইকেট হারালেও ১৭ ওভারেই লক্ষ্যে পৌঁছে।
আসরজুড়ে রান তাড়ায় নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টি ভেবেই লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা টস জিতে ফিল্ডিং নেন। তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেন বোলাররা। পরে ব্যাটাররা তার পূর্ণতায় রূপ দেন। বোলারদের কারণেই সব সহজ হয়। বরাবরের মতো মোহাম্মদ রিজওয়ানকে এবার হাতখোলা হতে দেয়নি লঙ্কানরা। পাকিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙে দলীয় ২৮ রানে, রিজওয়ানের (১৪) বিদায়ে। অধিনায়ক বাবর আজম ভালো শুরু করেছিলেন। দ্বিতীয় উইকেটে ফখর জামানকে নিয়ে ৩৫ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামলান। দশম ওভারে ফখরের (১৩) বিদায়ের পরের ওভারে ফেরেন বাবরও। দুই চারে ৩০ বলে ২৯ করেন পাকিস্তান কাপ্তান। এই আসরে যা তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে পাকিস্তান। ১৬ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৯৫ রান। শেষ দিকে মোহাম্মদ নেওয়াজের ১৮ বলে ২৬ রানের ইনিংসে একশো পেরোয় পাকিস্তান। নেওয়াজ রান আউটে কাটা পড়েন। আসিফ আলি ও হাসান আলি ফেরেন রানের খাতা না খুলেই।
রান তাড়ায় নেমে শ্রীলঙ্কাও দ্রুত উইকেট হারানোর পথে হাঁটে। হাসনাইন ও রউফের বোলিং তোপে ২৯ রান করতেই ৩ উইকেট নেই তাদের। ভানুকা রাজাপাকশেকে নিয়ে নিশাঙ্কা পরিস্থিতি সামাল দেন দারুণভাবে। দুজনের ৫১ রানের জুটির পর ২৪ রানে বিদায় নেন রাজাপাকশে। এ আসরে ম্যাচ শেষ করে আসার অভ্যাস করে ফেলা শানাকা এ ম্যাচেও দাঁড়িয়ে যান। ১৬ বলে ২১ করে ফিরলেও ততক্ষণে দলকে জয়ের পথেই রেখে আসেন। শেষদিকে হাসারাঙ্গা ও নিশাঙ্কা মিলে বাকি কাজ সারেন। নিশাঙ্কা ৪৮ বলে ৫৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। একই প্রতিপক্ষের সঙ্গে ফাইনালের আগে এ জয়ে শ্রীলঙ্কার আত্মবিশ্বাস বেড়ে থাকল অনেকটা।