কুশিয়ারা সমঝোতায় অমীমাংসিত পাঁচ প্রশ্ন

একটি নদী কোনো বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়। প্রতিটি নদী তার উৎস থেকে শেষ গন্তব্যস্থলে পৌঁছার পথে অনেক জনপদ, ভূমিরূপ, জলাভূমি, গাছগাছালি, বাস্তুতন্ত্র, শ্যাওলা, মাছ, বিভিন্ন ধরনের প্রাণী, প্লাবনভূমি ও শস্যক্ষেত্র অতিক্রম করে এবং তাদের সঙ্গে পরস্পর নির্ভরশীল মিথস্ক্রিয়ায় লিপ্ত হয়ে নিজেও বিবর্তিত হয় এবং সেইসব উপাদানকেও প্রভাবান্বিত করে। সেই অর্থে প্রত্যেকটি নদীই এক একটি জীবন্ত সত্তা।

নদী কেবলই পানি বহনকারী কোনো পাইপলাইন নয়। একটি নদীর পানির পরিমাণ, পানিবহন ক্ষমতা, নাব্য এবং পানির গুণগত মান নির্ভর করে সেই নদীর অববাহিকা অঞ্চলের ক্রিয়াকলাপ, ঋতুভেদে বিদ্যমান আবহাওয়া এবং সার্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের মাত্রা এবং ধরনের ওপর। প্রাকৃতিকভাবে প্রতিটি নদীই তার বিভিন্ন অংশের প্রস্থ, গভীরতা এবং স্রোতের বেগ আর সেই অংশের মাটি, পলি, শিলা, ভূমিরূপ ও ভূমি ব্যবহারের সঙ্গে সংগতি রেখে একটি ভারসাম্যমূলক অবস্থা তৈরি করে নেয়। কিন্তু মানুষ যখন তাদের প্রয়োজনে নদীর সেই প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয় তখন নদীও তার প্রয়োজনে নিজের গতিপথ এবং আচরণ পরিবর্তন করে নেয়। যেকোনো নদীর সার্বিক ব্যবস্থাপনার জন্য সেই নদীর উৎস থেকে গন্তব্যস্থল পর্যন্ত অববাহিকা অঞ্চলের সমস্ত ক্রিয়াকলাপ আমলে নিয়ে পরিকল্পনা নেওয়াই বিজ্ঞানসম্মতভাবে গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি।

কুশিয়ারা নদীটিও কোনো বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়। কুশিয়ারা উত্তর-পূর্ব ভারতের বরাক নদীর প্রবাহের ধারাক্রমেরই অংশ হিসেবে ভৌরি, তুইরোঙ এবং বরাক নাম ধারণ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি পৃথক নদী হিসেবে প্রবহমান।  কুশিয়ারা নাম ধারণ করার আগেই বরাক নদী এবং তার অসংখ্য উপনদী, যথা ঝিরি, চিরি, মাধুরা, জাতঙ্গা, মারাং, সোনাই, রুকনী, ঘাগরা, কাটাখালী এবং ধলেশ্বর প্রায় ৪৫,৬২২ বর্গকিলোমিটার অববাহিকা অঞ্চল থেকে পানি ও পলি বয়ে নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

উজানের অববাহিকা অঞ্চলের ভূমিরূপ, ভূমিব্যবহার, বাস্ততন্ত্র এবং মনুষ্যসৃষ্ট বিভিন্ন অবকাঠামো যেমন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত কুশিয়ারা নদীর পানির পরিমাণ এবং এর গুণগত মানে প্রভাব ফেলতে পারে, তেমনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কুশিয়ারা এবং এর উপনদী ও খালসমূহ, যথা রহিমপুর খাল, সোনাই বরদল নদী, জুরী নদী, মনু নদী, ধলাই নদী, লংলা নদী, খোয়াই নদী, সুতাং নদী, সোনাই নদীও ভাটিতে অবস্থিত মেঘনা নদীর প্রবাহ এবং গুণগতমানে প্রভাব ফেলতে পারে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে কুশিয়ারা নদীর একটি অংশের ব্যবস্থাপনা কিংবা পানিবণ্টন চুক্তি করা যুক্তিসংগত কাজ নয়। প্রয়োজন হচ্ছে বরাক-সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনা অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত এবং ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে পানি ও পলি ব্যবস্থাপনার সার্বিক পরিকল্পনা বিষয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে উপনীত হওয়া।

বরাক-সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনা নদীর অববাহিকা অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৮২,০০০ বর্গকিলোমিটার, যার ৫৭ শতাংশ ভারতে এবং ৪৩ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। যেহেতু অববাহিকা অঞ্চলটি একসূত্রে গাঁথা, তাই ভৌগোলিকভাবে দুই দেশে অবস্থিত হলেও এই অববাহিকার সমন্বিত পানি-পলি-ভূমিরূপ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই কেবল পুরো অববাহিকার মানুষের এবং প্রাণ-প্রকৃতির কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব। 

আন্তঃসীমান্ত নদীর ব্যবস্থাপনায় অববাহিকা-ভিত্তিক সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করাই ন্যায়সংগত এবং সুবিবেচনাপ্রসূত কর্মকান্ড হিসেবে সারা বিশ্বেই বিবেচিত হয়ে আসছে।

আন্তঃসীমান্ত নদীতে অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক নীতিমালা, সুপারিশমালা, প্রস্তাব এবং আইন পাস হয়েছে। এসবের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো ১৯৭৭ সালে অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনার মারডে প্লাটায় গৃহীত জাতিসংঘের পানি বিষয়ক সম্মেলনের সুপারিশমালা, ১৯৯২ সালে ডাবলিনে অনুষ্ঠিত পানি ও পরিবেশ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গৃহীত প্রস্তাব, ১৯৯২ সালে রিও ডি জেনেরিওতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পানি ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলনের সিদ্ধান্তসমূহ, ২০০০ সালে হেগে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্ব পানি ফোরামের প্রস্তাব, ২০০১ সালে বনে অনুষ্ঠিত মিঠাপানি বিষয়ক সম্মেলনের প্রস্তাব, ২০০২ সালে জোহেনেসবার্গে অনুষ্ঠিত স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে বিশ্ব সম্মেলনের সুপারিশমালা, ২০০৩ সালে কিটোতে অনুষ্ঠিত তৃতীয় বিশ্ব পানি ফোরামের সিদ্ধান্ত, ২০১৫ সালে নিউ ইয়র্কে গৃহীত জাতিসংঘের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা।

উপরোল্লিখিত প্রায় সব কয়টি সম্মেলনেই ভারত এবং বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ছিল। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখের দাবি রাখে, ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘ পানিপ্রবাহ আইনের কথা। এই আইনটি পৃথিবীতে আন্তঃসীমান্ত নদীর রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট কাঠামো প্রণয়ন করেছে। এই আইনের আওতায় উজানের দেশ ইচ্ছা করলেই তাদের ইচ্ছামাফিক কোনো আন্তঃনদীর পানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং তারা এমন কোনো প্রকল্প গ্রহণ করতে পারে না যার মাধ্যমে ভাটির দেশে ক্ষতি হতে পারে এবং তাদের পানির ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার অধিকার লঙ্ঘিত হতে পারে। এই আইনের আওতায় উজানের দেশ তাদের সীমানায় অবস্থিত একটি নদীর অববাহিকা অংশে যেকোনো প্রকার প্রকল্প নেওয়ার আগে ভাটির দেশের সঙ্গে মতবিনিময় করার বিধান রয়েছে এবং তাদের কর্মকা-ের ফলে ভাটির দেশের ক্ষতি হলে তারা ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকারও বিধান রয়েছে। জাতিসংঘের পানিপ্রবাহ আইনটি এখনো বাংলাদেশ এবং ভারত অনুস্বাক্ষর করেনি। এই আইনটি ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বহমান সমস্ত আন্তঃসীমান্ত নদীর পানি-পলিবণ্টন সংক্রান্ত সমস্ত বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে। গঙ্গা-পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-যমুনা-বরাক-সুরমা-কুশিয়ারা নদীর অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত ব্যবস্থাপনা শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে অববাহিকা অঞ্চলের সব কয়টি দেশেরই উচিত জাতিসংঘ পানিপ্রবাহ আইন (১৯৯৭) অনুস্বাক্ষর করা।

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে অন্যান্য বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারকের পাশাপাশি কুশিয়ারা নদী থেকে জকিগঞ্জে রহিমপুর খালের সেচ প্রকল্পের জন্য ১৫৩ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করার বিষয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। কোনো কোনো সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে যে ভারত এবং বাংলাদেশ উভয়েই সমপরিমাণ পানি প্রত্যাহার করবে। এই সমঝোতা স্মারকের অন্য শর্তাবলি এখনো পুরোপুরি প্রকাশিত হয়নি। এই স্মারকের কার্যকারিতার মেয়াদকালও প্রকাশ করা হয়নি। এটাও জানা যায়নি যে কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও কোনো চুক্তি হবে নাকি এই নদীর পানির হিস্যা হিসেবে বাংলাদেশকে সর্বমোট ১৫৩ কিউসেক পানি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে? যদি তাই হয়, তাহলে এই লেখকের মতে এই সমঝোতা খুবই একটি অসম, অযৌক্তিক, অন্যায্য এবং খারাপ দৃষ্টান্ত-সৃষ্টিকারী সমঝোতা হয়েছে নিম্নোক্ত কয়েকটি কারণে।

প্রথমত: উপরোল্লিখিত কারণে কুশিয়ারা কোনো বিচ্ছিন্ন সত্তা নয়, এর সঙ্গে উজানের অববাহিকার যেমন যোগসূত্র রয়েছে, তেমনি এই নদীর পানিপ্রবাহের পরিমাণের সঙ্গে ভাটির অঞ্চলেরও যোগসূত্র রয়েছে। তাই পানি-পলিবণ্টন চুক্তি হতে হবে নদীর উৎসমুখ থেকে গন্তব্যস্থলের পুরো অববাহিকাভিত্তিক; অর্থাৎ এই সমঝোতা হওয়া উচিত ছিল বরাক-সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনা অববাহিকার জন্য।

দ্বিতীয়ত: কুশিয়ারার যে অংশের জন্য সমঝোতা হয়েছে সেই অংশটি পুরোপুরি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত বলেই ম্যাপে দেখা যায়। তাহলে কুশিয়ারা থেকে এই নদীর একটি উপনদী, অর্থাৎ রহিমপুর খাল, যেটি পুরোপুরি বাংলাদেশে অবস্থিত তার জন্য ভারতের অনুমতি কেন প্রয়োজন হবে সেটি বোধগম্য নয়। এখানে উল্লেখ্য, ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে রহিমপুর খালের ওপর স্থাপিত সেচপাম্পটি ‘নো ম্যান্স ল্যান্ড’-এ অবস্থিত। কুশিয়ারা নদীর দুই পাড়ের ‘নো ম্যান্স ল্যান্ডে’ অসংখ্য স্থাপনা রয়েছে। যেমন রহিমপুর খালের কয়েক কিলোমিটার ভাটিতে কুশিয়ারা নদীর ভারতের অংশে ‘নো ম্যান্স ল্যান্ড’-এ নোটি খালের গতিপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়ে সেখানে একটি জনপদ তৈরি করা হয়েছে, সেজন্য ভারতের বাংলাদেশের অনুমতি নেওয়ার দরকার হয়েছিল বলে জানা যায় না। এই নোটি খালটি বহমান থাকলে বরং শুকনো মৌসুমে কুশিয়ারাতে পানিপ্রবাহের পরিমাণ আরও বাড়ত।

তৃতীয়ত: ভারতে অবস্থিত কুশিয়ারা নদীর উজানের অববাহিকায় (অর্থাৎ বরাক এবং তার অন্যান্য উপনদীর অববাহিকায়) ভারতীয় সরকারি হিসাব মতেই আসাম-মণিপুর-নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন অংশে ৬টি বড় এবং মাঝারি সেচ প্রকল্প রয়েছে। তাছাড়াও এই অববাহিকায় আরও ৬টি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে। আসামের ডিমা হাসাও জেলার কাপিলা নদী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং কাছার জেলার ফুলেরতল ব্যারেজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এই সমস্ত প্রকল্পের জন্য কী পরিমাণ পানি ব্যবহার করা হয় এবং এর পরিবেশগত অভিঘাত ভাটিতে অবস্থিত বাংলাদেশের অংশে ঠিক কী পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছিল বলে জানা যায় না। এইসব প্রকল্প তৈরি করার আগে আন্তর্জাতিক রীতি নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সমঝোতা কিংবা চুক্তি হয়েছে বলেও জানা নেই।

চতুর্থত: শুকনো মৌসুমে, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত, কুশিয়ারা নদীর বাংলাদেশ অংশে গড়ে ৫,২৯৫ থেকে ১৭,৬৫০ কিউসেক পানি প্রবাহিত হয়। সেই তুলনায় ১৫৩ কিউসেক পানি নিতান্তই সামান্য পরিমাণ (১ থেকে ৩ শতাংশ)। এই সামান্য পরিমাণ পানি দেশের অভ্যন্তরে প্রত্যাহার করার জন্য বাংলাদেশকে যদি ভারতের অনুমতি নিতে হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ভাটির দেশ হয়েও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অন্যান্য প্রকল্পের জন্যও ভারতের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন হবে কি না তা স্পষ্ট হওয়া জরুরি।

পঞ্চমত: কুশিয়ারার সামগ্রিক পানি-পলির অংশীদারত্ব ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে যদি আর কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে ভারত কি ভবিষ্যতে তাদের ইচ্ছামতো বরাক-সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনা অববাহিকাতে সেচ-জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য আরও পানি সরিয়ে নিতে পারবে এই অজুহাতে যে বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিমধ্যেই ১৫৩ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের জন্য সমঝোতা হয়েছে?

এইসব প্রশ্নের সমাধান কি বিদ্যমান সমঝোতায় রাখা হয়েছে? উপরোল্লিখিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় নিয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায় যে, কুশিয়ারা নদীর পানিবণ্টন সমঝোতাটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, অনৈতিক, অন্যায্য এবং অসংগতিতে ভরপুর।

কিন্তু আমরা আশা করি, মেঘনা অববাহিকায় বসবাসকারী দুদেশের জনগণ পরস্পরের স্বার্থরক্ষাকারী এবং পরিবেশ-প্রতিবেশবান্ধব অববাহিকাভিত্তিক সমন্বিত পানি-পলি ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য উদ্যোগী হবে এবং নিজ নিজ দেশের কর্র্তৃপক্ষকে উদ্বুদ্ধ করবে, কারণ আঞ্চলিক শান্তি এবং স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য এর কোনো বিকল্প নেই।

লেখক : পরিবেশবিজ্ঞানী, পানিসম্পদ ও জিআইএস বিশেষজ্ঞ। যুক্তরাষ্ট্রের লক হ্যাভেন ইউনিভার্সিটির ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক