সুপারশপে পণ্যের দাম ৩০ শতাংশ বেশি : ভোক্তা ডিজি

দেশের সুপারশপগুলো খোলাবাজারের স্বাভাবিক দামের চেয়ে পণ্যের দাম বেশি রাখছে। সুপারশপগুলো সর্বোচ্চ দামে প্যাকেটজাত পণ্য বিক্রি করে। খোলাবাজারের চেয়ে সুপারশপগুলোতে পণ্যের দামের ব্যবধান কখনো কখনো ২০ থেকে ৩০ শতাংশ হয়। বিশেষ করে প্যাকেটজাত পণ্যে অতি মুনাফা করা হচ্ছে।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান উৎপাদনকারী/সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও সুপারশপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্যাকেটজাত নিত্যপণ্যের (চাল, ডাল, আটা, ময়দা, চিনি, ডাল, লবণ ইত্যাদি) মূল্য বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন। অধিদপ্তরের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধি এবং সুপারশপ মালিকদের সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক বলেন, সুপারশপে ১২০ টাকা কেজি দরে কেনা খোলা সুগন্ধি চাল প্যাকেটজাত করে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেটি হতে পারে না। এক কেজি চালের সর্বোচ্চ ৫ টাকা দামের ব্যবধান হতে পারে। কিন্তু প্যাকেটজাতে অস্বাভাবিক মুনাফার কারণে দামের প্রভাব পড়ছে খোলাবাজারে।

তিনি বলেন, এর আগে আমরা যখন পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছি, তারা বলেছে, প্যাকেটজাত পণ্যের গায়ের দাম বাড়িয়ে দিতে বলে সুপারশপগুলো। সে কারণে পণ্যের গায়ের সর্বোচ্চ দাম বাড়িয়ে সরবরাহ করে কোম্পানিগুলো। ফলে দাম বৃদ্ধিতে তাদের হাত রয়েছে। তিনি বলেন, এ ব্যবধান কমাতে কাজ করা হবে। কত দাম পর্যন্ত পণ্য বিক্রি করা যাবে সেটা নির্ধারণ করা দরকার। এছাড়াও বিভিন্ন আমদানি পণ্য বাড়তি দামে বিক্রি করা হয় সুপারশপে। আমদানি পণ্যে যথাযথ তথ্য থাকে না। সেগুলো দেখা হবে এখন থেকে।’

এ সময় সুপারশপ মালিকরা খোলাবাজার থেকে তাদের পণ্যের দামের ব্যবধানের কারণ হিসেবে ৫ শতাংশ বাড়তি ট্যাক্স প্রদানের কথা উল্লেখ করেন। তারা ট্যাক্স প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি তারা দাম বাড়ানোর জন্য খুচরা ব্যবসায়ীদেরও দায়ী করেন।